ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করার উপায় | Ways to get rid of blackheads and whiteheads

ব্ল্যাকহেডসহোয়াইটহেডস (blackheads and whiteheads) দূর করার উপায়। সুস্বাস্থ্যের পাশাপাশি সকলেই উজ্জ্বল এবং দাগ-ছোপহীন ত্বক পেতে চান। কে উজ্জ্বল ত্বক পছন্দ করে না? আর আপনার সুন্দর ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করার জন্য একাই যথেষ্ট কিছু ব্ল্যাকহেডস। যাইহোক, আমাদের ত্বক প্রায়শই ব্রণের জন্য একটি খেলার মাঠে পরিণত হয়, সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত সময়ে অসম্ভাব্য স্থানে পপিং করে।

ব্ল্যাকহেডগুলি হল ব্রণের একটি হালকা রূপ, যেগুলি তাদের ত্বকের যতই যত্ন নেওয়া হোক না কেন ক্রপ হতে থাকে। তদুপরি, চিবুক এবং নাকের উপর কালো দাগগুলি বেশ সাধারণ, একটি সমস্যা যা অনেক লোক লড়াই করছে। নাকের ব্ল্যাক হেডস দূর করার উপায়, ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করার উপায়, চিরতরে ব্লাকহেডস দূর করার উপায়, ব্ল্যাকহেডস কি, ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচ মার্ক, আজ আপনাদের জানাতে যাচ্ছি।

নাকের দু’পাশে, কপালে, গালে বা থুতনিতে বেরনো ব্ল্যাকহেডস নিয়ে অধিকাংশেরই দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। নখ দিয়ে চেপে বা স্ট্রিপ লাগিয়ে কয়েকটা ব্ল্যাকহেডস তুলে ফেললে পরের দিন আবার গোটাকয়েক এসে হাজির হয়। এই নাছোড়বান্দা ব্ল্যাকহেডসের হাত থেকে মুক্তি পেতে বাধ্য হয়ে অনেকেই দামী দামী কসমেটিকসের ব্যবহার থেকে শুরু করে পার্লারে গিয়ে ক্লিনিং, স্ক্রাবিং বা ফেসিয়াল পর্যন্ত করান। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান হয় না কিছুতেই। তাহলে উপায়?

ব্ল্যাকহেডস দূর করার ঘরোয়া উপায়

চিন্তা করবেন না। আজ এই প্রবন্ধে আমরা জানাব ব্ল্যাকহেডস দূর করার ঘরোয়া কিছু সহজ উপায়। পাশাপাশি থাকবে বাজারজাত কিছু প্রোডাক্টের খোঁজও। ঘরোয়া টিপসের ক্ষেত্রে যে উপাদানগুলির হদিশ আমরা দেব, সেগুলি নিয়মিত ব্যবহার করলে ব্ল্যাকহেডস আর হবে না। আর সবচেয়ে ভালো বিষয় হল বেশি পরিশ্রমেরও প্রয়োজন নেই।

ব্ল্যাকহেডস কী?

ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা আমাদের কম-বেশি সকলেরই রয়েছে। আসলে ব্ল্যাকহেডস হল এক ধরনের ব্রণ ও কালো কালো ছোপ। অনেকসময় মুখে অতিরিক্ত তেল বা ধুলোবালি জমে কিংবা মৃত কোষের মাধ্যমে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাইয়। এই কারণেই মূলত ব্ল্যাকহেডসের সমস্যার সৃষ্টি হয়। সাধারণত দুই গালে, কপালে, নাকের দুপাশে, ঠোঁটের নীচে বা থুতনির মতো জায়গায় এই ব্ল্যাকহেডস দেখতে পাওয়া যায়। অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা মুখের পাশাপাশি ঘাড়ে, বুকে, হাতে ও কাঁধেও দেখা যায়।

আজকালকার যুগে খুব কম মানুষই রয়েছেন, যাঁরা খুব একটা বাইরে বের হন না। বরং অধিকাংশ মানুষকেই আজকাল নিজের কাজ বা বিভিন্ন কারণে বাইরে বেরোতে হয়। বাইরে বের হলে অতিরিক্ত দূষণের কারণে আমাদের ত্বকে ও মুখে ধুলোবালির আস্তরণ পড়ে। তাই প্রতিবার ভালোভাবে মুখ না ধুলে, তেল-ময়লা জমে রোমকূপ ও ত্বকের ছিদ্রগুলি বন্ধ হয়ে যায়।

আমাদের ত্বকের নীচের থাকা তৈলগ্রন্থি থেকে একধরণের তেল বের হয়। সেই তেল, বিভিন্ন মৃত কোষের সমষ্টি আর এই বন্ধ হয়ে যাওয়া রোমকূপগুলি বাতাসে অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে কালো হয়ে যায় ও ব্ল্যাকহেডস তৈরি করে৷ অপরিষ্কার ত্বক, অতিরিক্ত ধূমপান ও দুশ্চিন্তার কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।

ব্ল্যাকহেডস দূর করার উপায়

তবে আপনারা বিরক্ত হবেন না, একগুঁয়ে দাগগুলি এই দ্রুত এবং সহজ টিপসগুলির সাহায্যে আপনার বাড়িতে বসে করা যেতে পারে:

১. বেকিং সোডা এবং জল

বেকিং সোডা একটি ম্যাজিক পাউডারের চেয়ে কম নয় যা আপনার ত্বকের যত্নের সমস্যাগুলি নিমিষেই সমাধান করতে পারে। সাধারণত রান্নার সোডা নামে পরিচিত, এটি একটি সাধারণ রান্নাঘরের উপাদান যা ব্ল্যাকহেডসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে।

 

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

একটি পাত্রে দুই টেবিল চামচ পানি ঢেলে তাতে দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। আপনার চিবুকে পেস্টটি লাগান এবং আক্রান্ত স্থানে আলতো করে স্ক্রাব করুন। হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং পরে ময়শ্চারাইজ করুন। অতিরিক্ত বেকিং সোডা ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি শুষ্কতা হতে পারে। এটি সপ্তাহে মাত্র ২-৩ বার ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

২. কর্ন-স্টার্চ এবং ভিনেগার

কর্ন-স্টার্চের গুণাগুণ ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে যথেষ্ট। একবার ভিনেগারের সাথে মেশানো হলে, সংমিশ্রণটি সিবামের কারণে সৃষ্ট বিবর্ণতা ম্লান করতে সক্রিয় হয়।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

এক টেবিল চামচ কর্ন-স্টার্চ এবং ভিনেগার নিন এবং একটি ঘন পেস্ট তৈরি করতে তাদের একসাথে মিশ্রিত করুন। চিবুকের উপর মিশ্রণটি প্রয়োগ করুন এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য বসতে দিন। পেস্টটি ধুয়ে ফেলতে হালকা গরম জল ব্যবহার করুন এবং ছিদ্রগুলি বন্ধ করতে চিবুকের উপর একটি বরফ ঘষুন।

৩. ডিম এবং মধু

ডিম এবং মধুর সংমিশ্রণে তৈরি একটি মাস্ক সিবাম উৎপন্নকারী ছিদ্রগুলিকে শক্ত করতে এবং এর ফলে ব্ল্যাকহেডস দূর করতে উপকারী। তদুপরি, মধুর উপাদানটি একটি উজ্জ্বল প্রভাবের জন্য ত্বককে হাইড্রেট করে এবং পুনরায় পূরণ করে।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

একটি ডিম নিন এবং কুসুম থেকে ডিমের সাদা অংশ আলাদা করুন। ডিমের সাদা অংশ এক টেবিল চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে আপনার চিবুকে মাস্ক লাগান। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে চিবুক ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য, এটি সপ্তাহে ১-২ বার প্রয়োগ করুন।

৪. গ্রীন টি

কে জানত যে গ্রিন টি শুধু ওজন কমাতেই পারে না ব্ল্যাকহেডস দূর করতেও সাহায্য করতে পারে? গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে এবং অমেধ্য দূর করতে সাহায্য করে। এটি প্রদাহ কমায় যা ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কার করতে আরও সাহায্য করে।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

এক চা চামচ গ্রিন টি পাতার সাথে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি চিবুকের উপর প্রয়োগ করুন এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য বিশ্রাম দিন। আক্রান্ত স্থানটি হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দুইবার এই নিয়মটি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৫. সামুদ্রিক লবণ এবং লেবু

সামুদ্রিক লবণের একটি সহজাতভাবে মোটা টেক্সচার রয়েছে যা একটি শক্তিশালী এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের ছিদ্র খুলে দিতে সাহায্য করে। একবার লেবুর রসের সাথে একত্রিত হলে, এটি ময়লা এবং মৃত ত্বকের কোষগুলিকে দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে, যার ফলে একটি উজ্জ্বল পরিষ্কার ত্বক হয়।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

এক টেবিল চামচ সামুদ্রিক লবণের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং জল মেশান। এই পেস্টটি চিবুকের উপর লাগান এবং আলতো করে স্ক্রাব করুন। গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করা।

আরও পড়ুন 

৬. ব্রাউন সুগার, লেবু, এবং মধু

ব্রাউন সুগার একটি কার্যকরী এক্সফোলিয়েটর, যা ত্বক পরিষ্কার করতে এবং কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর রসও একটি প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট যা ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে কার্যকর।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

এক টেবিল চামচ ব্রাউন সুগার, দুই টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক টেবিল চামচ কাঁচা মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি চিবুকের উপর বৃত্তাকার গতিতে প্রয়োগ করুন এবং ৫ মিনিটের জন্য আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করতে থাকুন। হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং পরে ময়শ্চারাইজ করুন।

৭. কস্তুরী হলুদ এবং নারকেল তেল

উজ্জ্বল ত্বক অর্জনের জন্য ভারতীয় পরিবারে হলুদ বেশ বিখ্যাত। যাইহোক, এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যগুলি ব্ল্যাকহেডস দূর করতেও সাহায্য করতে পারে। নারকেল তেল হলুদের কাজ করার জন্য একটি ভিত্তি প্রদান করে এবং একটি প্রশান্তিদায়ক প্রভাবের সাথে ত্বককে হাইড্রেট করে। দাগের জন্য নিয়মিত কস্তুরি হলুদ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

এক চা চামচ হলুদের সাথে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। আলতো করে চিবুকের উপর পেস্টটি লাগান বা ড্যাব করুন এবং ১০-১৫ মিনিটের জন্য বসতে দিন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেরা ফলাফলের জন্য, এটি সপ্তাহে ৩-৪ বার পুনরাবৃত্তি করুন।

৮. কমলার খোসা

কমলার খোসা ছিদ্র-জমাট প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী, যার ফলে চিবুকের কালো দাগ কমায়। এটি ত্বককে উজ্জ্বল এবং টোনিং এজেন্ট হিসাবেও দ্বিগুণ করে যা আপনার মুখকে আরও সতেজ দেখাতে পারে।

কিভাবে ব্যবহার করবেন:

কয়েকটি কমলার খোসা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এক টেবিল চামচ পাউডারের সাথে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন এবং চিবুকে লাগান। গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলার আগে এটি ১৫ মিনিটের জন্য বসতে দিন। এই চিকিত্সা সেবাসিয়াস গ্রন্থি দ্বারা অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ এবং আপনার ত্বকে ময়লা জমে প্রতিরোধে সাহায্য করবে।

চিবুকের ব্ল্যাকহেডগুলি মোটামুটি একটি সাধারণ ঘটনা এবং প্রকৃতিতে নিরীহ। এটি চিকিত্সা করার আগে চিকিত্সার জন্য বাষ্প দিয়ে আপনার মুখ প্রস্তুত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এটি ছিদ্রগুলি খুলতে এবং আপনার ত্বককে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে কার্যকর হবে। উপরে উল্লিখিত ঘরোয়া প্রতিকারের ফলাফল দেখাতে ১-২ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। যদি আপনি সন্তুষ্ট না হন তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা ভাল।

ব্ল্যাকহেডস কি কি কারণে হয়?

আসুন, আমরা জেনে নিই ঠিক কী কী কারণে আমাদের ত্বকে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা সেই বিষয়ে নীচে বিস্তারির ভাবে আলোচনা করবো।

  1. হরমোনের পরিবর্তন বা ভারসাম্যহীনতা এটির একটি কারণ হতে পারে। বয়ঃসন্ধিকালে, কিশোর-কিশোরীদের শরীরের পাশাপাশি হরমোন নিঃসরণেও এক বিরাট পরিবর্তন আসে। এই সময় সেবেসিয়াস গ্রন্থি থেকে সিবাম উৎপাদন ও নিঃসরণ হয়। এই প্রক্রিয়াও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাকে ত্বরান্বিত করে। বয়ঃসন্ধির পরবর্তীতে, মহিলাদের পিরিয়ড চলাকালীন, গর্ভবতী থাকাকালীন, জন্ম নিয়ন্ত্রক ওষুধ ব্যবহারের কারণেও হরমোনের পরিবর্তন বা ভারসম্যহীনতা লক্ষ্য করা যায়। এবং এর থেকেও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা হতে পারে।
  2. ত্বকের কোষের উৎপাদন অত্যধিক হারে বেড়ে গেলেও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  3. অত্যাধিক মেক-আপ বা কসমেটিক সামগ্রীর ব্যবহার ত্বকের ছিদ্রগুলি বন্ধ করে দিয়ে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা আনতে পারে।
  4. যাদের অত্যাধিক ঘাম হয় তাদের অনেকের মধ্যেই এই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা যায়। আসলে ঘাম জমে রোমকূপগুলি বন্ধ হয়ে গেলে ব্ল্যাকহেডস সৃষ্টি হয়।
  5. সবার ত্বক সমান হয় না। তাই অবাঞ্ছিত লোম দূর করার জন্য ওয়্যাক্সিং, শেভিং বা থ্রেডিং এর পরে হেয়ার ফলিকলগুলি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে ও ত্বকের সেনসিটিভিটি বৃদ্ধি পেলেও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা যায়।

 

ব্ল্যাকহেডস চিনবেন কীভাবে?

আগেই বলেছি, ব্ল্যাকহেডস হল এক ধরনের ব্রণ। তবে এগুলি আকারে ব্রণর থেকে অনেকটাই ছোট। ব্রণর মতো অতটা স্ফীতভাব বা ব্যথাও ব্ল্যাকহেডসে হয় না। এমনকি ব্রণর মতো বিষিয়ে যাওয়ার বা সংক্রামিত হোয়ার ভয়ও ব্ল্যাকহেডসের ক্ষেত্রে নেই।

মুখে যদি ছোট ছোট কালো ছোপ বা কালো ব্যথাহীন ক্ষত লক্ষ্য করেন, তবে বুঝবেন আপনার মুখেও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা রয়েছে। সাধারণত ত্বকের যেখানে যেখানে সেবেসিয়াস গ্রন্থি আছে, যেমন- গাল, মুখের টি-জোন, সেখানেই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মনে রাখবেন, ব্ল্যাকহেডস শুধু নাক ও মুখের ওপর কালো দাগ নয়। প্রাথমিক পর্যায় থেকে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দূর করার চেষ্টা না করলে, এই ছোট ছোট দাগগুলিই আপনার ত্বককে কালো, অনুজ্জ্বল, অসম, খসখসে ও পিগমেন্টেড করে তুলতে পারে।

আরও পড়ুন –

Leave a Reply