এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ অর্থনীতি ৭ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান SSC

এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ অর্থনীতি ৭ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট 

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার ৭ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট অর্থনীতি উত্তর, এসএসসি অর্থনীতি 2021 ৭ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট-৫, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার এসাইনমেন্ট, এসএসসি ব্যাচ 2021 বাংলাদেশের ৭ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার এসাইনমেন্ট ৭ম সপ্তাহ, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার এসাইনমেন্ট উত্তর, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার অ্যাসাইনমেন্ট

এসএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১ অর্থনীতি ৭ম সপ্তাহ  উত্তর

ক) মােট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):

একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগােলিক সীমানার মধ্যে মােট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মােট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। মনে করি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বছরে তিনটি দ্রব্য উৎপাদিত হয়। যেমন- ১০০ কুইন্টাল ধান, ১০০০ জামা এবং ১০০০ কলম উৎপাদিত হয়। জিডিপি = ১০০ কুইন্টাল ধান x ধানের বাজার দাম + ১০০০ জামা x জামার বাজার দাম + ১০০০ কলম x কলমের বাজার দাম। 

এভাবে কোনাে দেশে উৎপাদিত সকল দ্রব্যের পরিমাণকে নিজ নিজ দাম দ্বারা গুণ করে তার সমষ্টি বের করে জিডিপি নির্ণয় করা হয়। তবে ধান থেকে যদি চূড়ান্ত দ্রব্য হিসাবে চাল তৈরি হয়, তাহলে আমাদেরকে হিসাবের সময় ধানের বদলে চাল উৎপাদন এবং চালের দামকে হিসাবে নিতে হবে।

খ)মােট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) মূলত তিনভাবে পরিমাপ করা যায়। যথা:

উৎপাদন পদ্ধতি (Production Approach), আয় পদ্ধতি (Income Approach) ও ব্যয় পদ্ধতি (Expenditure Approach)।

১. উৎপাদন পদ্ধতি (Production Approach): একটি দেশের অর্থনীতি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিভক্ত। এসব খাতে এক বছরে উৎপাদিত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য যােগ করে মােট দেশজ উৎপাদ নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশে অর্থনীতিকে ১৫টি খাতে বিভক্ত করা হয় এবং খাতওয়ারি উৎপাদনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরিশেষে ১৫টি খাতের উৎপাদনের মূল্য যােগ করে মােট দেশজ উৎপাদন নির্ধারণ করা হয়।

২.আয় পদ্ধতি (Income Approach): এ পদ্ধতিতে মােট দেশজ উৎপাদন হলাে উৎপাদন কার্যে ব্যবহৃত উপকরণসমূহের প্রাপ্ত আয়ের সমষ্টি। উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত মৌলিক উপকরণ ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। এদের প্রাপ্ত আয় যথাক্রমে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা। অতএব মােট দেশজ উৎপাদন = খাজনা + মজুরি + সুদ + মুনাফা

৩. ব্যয় পদ্ধতি (Expenditure Approach): এ পদ্ধতিতে জিডিপি হলাে কোনাে নির্দিষ্ট সময়ে সমাজের সব ধরনের ব্যয়ের যােগফল। সমাজের মােট ব্যয় বলতে ব্যক্তি খাতের ভােগ ও বিনিয়ােগ ব্যয় এবং সরকারি ব্যয় ও নিট রপ্তানিকে বােঝায় । অতএব, ভােগ + বিনিয়োেগ + সরকারি ব্যয় + নিট রপ্তানি -রপ্তানি – আমদানি) = মােট দেশজ উৎপাদন। মােট দেশজ উৎপাদন বা Y= C+ I + G + (X-M) এখানে C = ভােগ, I = বিনিয়োেগ, G = সরকারি ব্যয়, (X-M) (রপ্তানি – আমদানি) = নিট রপ্তানি।

গ) নং প্রশ্নের উত্তরঃ বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতিঃ

পৃথিবীর যে কোন দেশের জাতীয় আয়ের সঠিক ও নির্ভুলভাবে হিসাব করা একটি কঠিন কাজ। সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে জাতীয় আয়ের হিসাব করা হয়- ক) উৎপাদন পদ্ধতি, 

খ) আয় পদ্ধতি এবং 

গ) ব্যয় পদ্ধতি। 

বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপের জন্য প্রধানত উৎপাদন পদ্ধতি ও আয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যবসাবাণিজ্য, চাকুরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে আয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে, কৃষি, শিল্প, খনিজ সম্পদ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে আয় পরিমাপের উদ্দেশ্যে উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চাকুরি ও ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যক্তির আয় যােগ করে জাতীয় আয় হিসাব করা হয়।

আর কৃষি, শিল্প, খনিজ সম্পদ প্রভৃতি ক্ষেত্রে মােট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য যযাগ করে জাতীয় আয় হিসাব করা হয়ে থাকে। বৃহদায়তন শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ নিজেরাই তাদের আয়ের হিসাব বার্ষিক রিপাের্টে প্রকাশ করে থাকে। ক্ষুদ্রায়তণ ও কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে ঐ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়ােগের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে মােট উৎপাদনের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে কৃষিক্ষেত্রে আয় পরিমাপের উদ্দেশ্যে কৃষি শুমারি থেকে করা হয়ে থাকে। এভাবে বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপের উদ্দেশ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে আয় পদ্ধতি এবং কোন কোন ক্ষেত্রে উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার, কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঠিক ও নির্ভুল তথ্যের অভাবে আমাদের দেশে জাতীয় আয় সঠিকভাবে পরিমাপ করা খুবই কঠিন কাজ হয়ে পড়ে। এ জন্য বিভিন্ন পদ্ধতিতে হিসাব করে তাদের গড়পড়তা যে সংখ্যা দাঁড়ায় তাকেই সঠিক হিসাব বলে ধরা হয়ে থাকে। তাই বলা যায় যে নির্ভুল তথ্য ও পরিসংখ্যানের ব্যবহার করে বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় করলে আমাদের দেশে জাতীয় আয় সঠিকভাবে পরিমাপ করা সম্ভব হবে।

ঘ) নং প্রশ্নের উত্তরঃ মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (Per Capita Gross Domestic Product):
মাথাপিছু জিডিপি বলতে জনপ্রতি বার্ষিক জিডিপিকে বােঝায়। কোনাে নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে দেশের মােট দেশজ উৎপাদনকে উক্ত বছরের মধ্য সময়ের মােট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলেই মাথাপিছু জিডিপি পাওয়া যায়। সূত্রাকারে, মাথাপিছু জিডিপি =কোনাে নির্দিষ্ট বছরে মােট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)÷ ঐ বছরের মধ্য সময়ের মােট জনসংখ্যা মাথাপিছু জিডিপি হলাে একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মানের গড় প্রধান সূচক। বিশ্বব্যাংকের ধ্যানধারণা নুসারে এ সূচক দ্বারা দেশটি কি উন্নত নাকি অনুন্নত বা উন্নয়নশীল তা নির্ণয় করা যায়। যদি মাথাপিছু জিডিপি একটি নির্দিষ্ট স্তরের বেশি হয় তবে বুঝতে হবে দেশটি উন্নত, আর যদি তা থেকে কম হয় তবে বুঝতে হবে দেশটি অনুন্নত বা উন্নয়নশীল। তবে বর্তমানে এ ভাবে না দেখে উচ্চ আয়ের দেশ, মধ্যম আয়ের দেশ এবং নিম্ন আয়ের দেশ হিসাবে দেখার রীতি চালু হয়েছে।
উদাহরণঃ
কোন একটি দেশের জিডিপি পরিমাণ ছিল ৫০,০০,০০,০০০ মার্কিন ডলার এবং দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটি হলে মাহাপিছু কিডিপি কত? দেওয়া আছে, দেশটির জিডিপি পরিমাণ ৫০,০০,০০,০০০ মার্কিন ডলার মােট জনসংখ্যা ১,০০,০০,০০০ মাথাপিছু জিডিপি=জিডিপি÷জনসংখ্যা =৫০,০০,০০,০০০÷১,০০,০০,০০০ =৫০ মার্কিন ডলার।
আরো পড়ুন –

 
বিশেষ সতর্কতা: উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া। ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে। উল্লেখ্য যে, হুবহু লেখার কারণে আপনার উত্তর পত্রটি বাতিল হতে পারে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার Dorbinnews24 -এর নয়।

আমাদের কাজের মধ্যে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি দেখা গেলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানান। প্রতি সপ্তাহের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। আমাদের কাছ থেকে ন্যূনতম সাহায্য পেয়ে থাকলে আপনাদের অন্যান্য বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটিকে ফেসবুকে শেয়ার দিতে পারেন।

ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE

Leave a Reply