নতুন ব্যবসার জন্য বিজনেস লোন পাওয়ার উপায় | Ways to get business loan for new business | বিজনেস লোন পাওয়ার উপায়

 

নতুন ব্যবসার জন্য বিজনেস লোন পাওয়ার উপায়, Ways to get a business loan for a new business, আশা এনজিও লোন পদ্ধতি, নতুন ব্যবসা শুরু করার নিয়ম, ই লোন, বিকাশ থেকে লোন, প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন, সহজ অনলাইন লোন, সহজ লোন, সিটি ব্যাংক ব্যবসায়িক লোন

 

নতুন ব্যবসার জন্য লোন পাবেন যেভাবে।

বন্ধুরা, আপনিও কি আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করতে চান কিন্তু অর্থের অভাবে এটি শুরু করতে পারছেন না। বন্ধুরা, এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নিজের ব্যবসা শুরু করতে চান কিন্তু অর্থের অভাবে তা করতে পারছেন না। বন্ধুরা, আপনি যদি এই পোস্টটি পড়েন, তাহলে আপনি অবশ্যই একই কাজ করতে চাইবেন। তাই বন্ধুরা, আমি আপনাকে বলি যে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। হ্যাঁ বন্ধুরা, আমাদের আজকের এই পোস্টটি পড়ার পরে, আপনি নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। কারণ এই পোস্টে আমি আপনাকে বলব কিভাবে আপনি Business Loan নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
 

লোন কোথায় পাওয়া যাবে?

 

সঙ্গত কারণেই লোনের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রথম পছন্দ বাণিজ্যিক ব্যাংক। সব ধরনের ব্যবসার জন্যই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা আছে। এসএমই ফাউন্ডেশন বর্তমানে ৩টি ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। তাছাড়া অন্যান্য Bank নিজেদের নিয়মকানুনের পাশাপাশি Bangladesh Bank কের নিয়মনীতিকে বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন খাতে ঋণ প্রদান করছে।
আইডিএলসি স্টার্ট-আপ Loan ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকে। ঋণটি ৫ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়াও বিনা জামানতে কর্মসংস্থান ব্যাংকের ২ লাখ টাকা পর্যন্ত Loan প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
উদ্ভাবন লোন হিসেবে সর্বনিম্ন ৫ লাখ, আনসিকিউরড লোন ২৫ লাখ, আংশিক সিকিউরড লোন সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা দেয় আইডিএলসি ফিন্যান্স। সর্বনিম্ন ১৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৬০ মাস পর্যন্ত এই ঋণের মেয়াদ। যারা বেসিসের সদস্য, তাঁরা এই ঋণ প্রাপ্তিতে বিশেষ সুবিধা পান। এ জন্য ব্যাবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ২ বছরের। তবে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ১ বছরের অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট। উদ্যোক্তার বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।
অন্যদিকে Mutual Trust Bank offers small business loans সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা দেয়। এর মধ্যে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কোনও জামানতের  প্রয়োজন হয় না। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ৫ বছর, তবে ব্যবসার সময়কাল কমপক্ষে ১ বছর হতে হবে।

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ লোন।

মূলত যেসব নারী উদ্যোক্তা ক্ষুদ্র এবং কুটিরশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের আইএফআইসি উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিউর Loan দেওয়া হয়।  এ জন্য একজন নারী উদ্যোক্তাকে কমপক্ষে ২ বছর সেই ব্যবসাটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে।

ক্ষুদ্রঋণ

বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত এনজিও, যেমন গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা বাংলাদেশ ইত্যাদি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের আওতায় ঋণ প্রদান করে। তারা মূলত তৃণমূল পর্যায়ে এমন উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করে, যাঁদের জন্য ক্ষুদ্রঋণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

স্টার্ট-আপের জন্য সরকারি প্রকল্প

বিভিন্ন সময় সরকার বিভিন্ন প্রকল্প বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলমান সমস্যা সমাধানের উপায় খোঁজে। তাছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্টার্ট-আপের জন্য মূলধন দেওয়ার সুযোগও পাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে একজন উদ্যোক্তা তাঁর আইডিয়াটি জমা দেন, তারপর কমিটি সেটি বিচার–বিশ্লেষণের পর গ্রহণ করলে তহবিল পাওয়া যায়। স্টার্ট-আপের অর্থায়নের জন্যে এ ধরনের সরকারি প্রকল্পগুলো বেশ কার্যকর। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রায়ই এ ধরনের প্রকল্প হাতে নেয়। এছাড়া অন্য যে কোন উপায় অবলম্বন করে অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব।

লোন পাওয়ার যোগ্যতা – Eligibility for loan 

১। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হতে হবে।
২। আবেদনকারী ও গ্যারেন্টার উভয়েরই জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে।
৩। আবেদনকারী ও গ্যারেন্টার উভয়েরই সদ্য তোলা রঙিন ফটোগ্রাফ থাকতে হবে।
৪। ব্যাংকের নিজস্ব ফরম সংগ্রহকরণ এবং তা যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে।
৫। আপডেট ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি থাকতে হবে।
৬। ব্যবসায়ের টিন নম্বর থাকতে হবে।
৭। ইউটিলিটি বিল যেমন-গ্যাস বিল, ইলেকট্রিক বিল, টেলিফোন বিল ইত্যাদির ফটোকপি থাকতে হবে।
৮। ফ্যাক্টরি স্থাপনার রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
৯। ট্যাক্স ও ভ্যাট, কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন থাকতে হবে।
১০। ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক রেজিষ্ট্রেশন থাকতে হবে।
১১। আবেদনকারীর সম্পত্তির ভ্যালুয়েশন (যেখানে শিল্পটি প্রতিষ্ঠা করা হবে) ও সম্পত্তি নেয়া হলে তার বৈধ চুক্তিনামা থাকতে হবে।
১২। ব্যাংকের হিসাব নাম্বার এবং জামানত স্থিতি থাকতে হবে।
১৩। পৌরসভার বাসিন্দা হলে কমিশনারের সনদ। স্থানীয় পর্যায়ের হলে চেয়ারম্যান অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সনদ থাকতে হবে।
১৪। লিমিটেড কোম্পানি হলে মেমেরেন্ডাম এবং আর্টিক্যাল অব এসোসিয়েশনের কপি এবং অংশীদারি প্রতিষ্ঠান হলে অংশীদারি চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি থাকতে হবে।
১৫। প্রতিষ্ঠান চালু থাকা অবস্থায় ঋণ গ্রহণে ইচ্ছুক হলে ব্যবসার ১ বছরের লাভ ক্ষতির হিসাব বিবরণী দেখাতে হবে।
১৬। প্রতি ব্যাংকের ফর্মে উল্লেখযোগ্য একটি দিক রয়েছে যাকে লেটার অব গেরান্টি বলা হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে  দুইজন যোগ্য গেরান্টারের সনদ প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হয়।
১৭। প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পূর্বে কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ করে থাকলে তার হিসাবের একটি হালনাগাদ ও যথাযথ বিবরণ থাকতে হবে।
উপরের শর্তগুলো এবং তথ্য-উপাত্ত ব্যাংকে প্রদানের মাধ্যমে স্টার্ট-আপ ঋণের জন্য আবেদন করা সম্ভব। ব্যাংক এ সকল তথ্য উপাত্ত বিবেচনার মাধ্যমে আপনাকে ঋণ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিবে।
business loan নিতে হয় কিভাবে?
১. বুটস্ট্র্যাপিং
বুটস্ট্রাপিং হলো নিজস্ব অর্থায়ন। একটি স্টার্টআপ বা নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে নিজস্ব কিছু পুঁজি থাকতে হবে। সেই পুঁজি দিয়েই প্রাথমিকভাবে ব্যবসা শুরু করবে। একেই বলে বুটস্ট্র্যাপিং। এই পুঁজি হতে পারে বড় কোন অংক বা হতে পারে ছোট কোন অংক।
ছোট কোন ব্যবসা করার পরিকল্পনা থাকলে বুটস্ট্র্যাপিং খুব ভালো উপায়। যেমন কোন ছোট খাটো বুটিক শপ খোলার চিন্তা থাকলে নিজের জমানো ১৫০০০-২০০০০ টাকা দিয়ে আপাতত ঘরে বসেই ব্যবসা শুরু করা যায়।
অথবা হোম মেইড কোন খাবারের ব্যবসা শুরু করা যায়। কিন্তু বড় কোন ধরনের ব্যবসা শুধু বুটস্ট্র্যাপিং দিয়ে শুরু করা যাবে না। তাতে অনেক বেশি রিস্ক থাকে। বুটস্ট্র্যাপিং এর সুবিধা হলো এখানে সম্পূর্ণ অর্থ নিজের থাকে বলে, কাউকে জবাবদিহি করতে হয়না। সব ধরনের সিদ্ধান্ত একাই নেয়া যায়।
২. সরকারি লোন/ Government loan
সরকার নবীন উদ্যোক্তাদের সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য মাঝে মাঝে কিছু প্রকল্প চালু করে থাকেন। এসব প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ বিজনেসে আর্থিক সাহায্য করার জন্য অনুদান থাকে। এসব প্রকল্প তে নিজের ব্যবসার পরিকল্পনা জানিয়ে আবেদন করতে হয়।
সেখান থেকে যাচাই বাছাই করে কিছু ব্যবসায়ী কে আর্থিক সাহায্য করা হয়ে থাকে। এই জন্য নিজের ব্যবসার পরিকল্পনাটা আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
সরকারিভাবে বিজেনেস লোন প্রদানের প্রকল্প।
Innovation Design and Entrepreneurship Academy
ঠিকানা: E-14/X, ICT Tower (14th Floor), আগারগাও, ঢাকা – ১২০৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: 02-55007016, 02-55007017
ওয়েবসাইট: idea.gov.bd
Startup Bangladesh
ঠিকানা: Concord Silvy Heights(8th Floor), 73A গুলশান এভিনিউ, গুলশান – ১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ।
ইমেল: info@startupbangladeshvc.gov.bd
ওয়েবসাইট: startupbangladesh.vc
Innovation Fund
ঠিকানা: E-14/X, ICT Tower, আগারগাও, ঢাকা – ১২০৭, বাংলাদেশ।
ইমেল: mkhayer@ictd.gov.bd
ওয়েবসাইট: ims.ictd.gov.bd
৩. ক্রাউড ফান্ডিং
ক্রাউড ফান্ডিং হচ্ছে ব্যবসার অর্থায়ন বৃদ্ধি করার একটি কৌশল। এটি হলো বিভিন্ন মানুষের কাছে নিজের ব্যবসা আইডিয়া বর্ণনা করে, তাদেরকে নিজের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী করে তোলা। এই ক্রাউড ফান্ডিং হতে পারে কোন প্রতিষ্ঠান, হতে পারে নিজের কোন আত্নীয়, হতে পারে কয়েকজন মিলে।
অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর সাথে যোগাযোগ করে তাদের থেকে সঠিক বিনিয়োগকারী খুঁজে নিতে ক্রাউড ফান্ডিং বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা একটি সুবিধা পেয়ে থাকে।
ব্যবসার নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ তাদের একাউন্টে জমা হয়। তবে ক্রাউড ফান্ডিং এ বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়ার জন্য নিজের ব্যবসার একটি সুন্দর পরিকল্পনা তাদের সামনে তুলে ধরতে হয়, যেন তারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়। নয়তো অনেক সময় ক্রাউড ফান্ডিং ভালো ফলাফল আনে না। কারণ, এই ক্রাউড ফান্ডিং এ রিস্ক আছে তাই, সবাই গ্রহণ করতে চায় না।
আমাদের দেশে বেশ ভালো কয়েকটি ক্রাউড ফান্ডিং এর প্ল্যাটফর্ম আছে। তার নাম হলো:
বিদেশি ক্রাউড ফান্ডি প্লাটফর্ম:
ভেঞ্চার ক্যাপিটাল
নতুন একটি ব্যবসা শুরু করার পর প্রথম যে সমস্যা হয় সেটি হলো পুঁজি নিয়ে। অনেক সময় দেখা যায় যে চিন্তা ভাবনা নিয়ে ব্যবসা শুরু করা হলো, শুরু করার পর সেদিক দিয়ে ব্যবসা আগালো না। তখন অনেক সময় নতুন করে পুঁজির দরকার হয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বড় কোন ধরনের ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে , Bank Loan নেয়ার কথা মাথায় আসে আগে।
কিন্তু, Bank Loan নেয়ার কাজটা অনেক ঝামেলার হয় মাঝে মাঝে। আবার লোন নেয়ার সময় বিভিন্ন কাগজপত্র দেখাতে হয়, অনেক কিছু জামানত রাখতে হয়। নতুন শুরু করা একজন ব্যবসায়ীর জন্য এই সব কাজ অনেক ভোগান্তির বিষয় হয়ে উঠে। তাই, নতুন উদ্যোক্তা বা নতুন ব্যবসায়ীদের এই সব ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে কিছু কোম্পানি গড়ে উঠেছে, যারা স্টার্ট আপ বিজনেস এ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।
এই ধরনের কোম্পানি যে অর্থায়ন করে থাকে, সেই অর্থকে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বলা হয়। সংক্ষেপে বলা হয় ‘ভিসি’। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল দেয়ার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি আছে, যারা উদ্দ্যোক্তাদের Loan দেয় না, বরং তাদের ব্যবসায় বিনিয়োগ করে এবং এর পরিবর্তে সেই ব্যবসার নির্দিষ্ট একটা অংশের মালিকানার অধিকারি হয়। এই ভেঞ্চার কোম্পানি, স্টার্ট আপ বিজনেসের লাভ ক্ষতি দুটোরই অংশীদার হয়ে থাকে।
ব্যবসা সামনে আগানোর জন্য ভেঞ্চার কোম্পানি প্রয়োজনীয় সব কিছু দিয়ে সহায়তা করে থাকে। তাই, নতুন ব্যবসায়ীদের কাছে সব থেকে ভালো অর্থের উৎস হচ্ছে ভেঞ্চার কোম্পানি।
বাংলাদেশের কয়েকটি ভেঞ্চার কোম্পানির নাম হলো:
প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান Business Loan
দেশে নতুন নতুন সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের প্রতিভা কাজে লাগানোর জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সেই সব অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তদের কাছ থেকে বিভিন্ন আইডিয়া চাওয়া হয়ে থাকে এবং সবচেয়ে ভালো আইডিয়া দাতার জন্য কিছু পুরষ্কার এর ব্যবস্থা থাকে।
স্টার্ট আপ বিজনেস এর ক্ষেত্রে এই পুরষ্কারের অর্থ খুব উপকারী হয়ে থাকে। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এইসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এদের উদ্দেশ্য থাকে নবীন উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা।
এঞ্জেল ইনভেস্টরস
কিছু ‍কিছু ধনী ব্যক্তি থাকেন যারা ক্ষুদ্র উদ্দ্যোক্তাদের বা স্টার্ট আপ ব্যবসায়ীদের সাহায্য করে থাকে। এদের বলা হয়ে থাকে এঞ্জেল ইনভেস্টরস। এরা প্রথমে উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে তাদের ব্যবসা আইডিয়া শুনেন, পরিকল্পনা শুনেন, তারপর সবচেয়ে ভালো যেটা মনে হয় সেটায় বিনিয়োগ করে থাকেন।
এই এঞ্জেল ইনভেস্টরস একজন হতে পারেন বা একাধিক হতে পারেন। একটা স্টার্ট আপ বিজনেস বা একটা তহবিল শূণ্য ব্যবসা ঘুরে দাঁড়াতে এঞ্জেল ইনভেস্টরস এর ভূমিকা অসামান্য।
ছোট একটি ব্যবসা বিশাল আকার ধারন করতে পারে শুধুমাত্র এঞ্জেল ইনভেস্টরস এর জন্য। আমাজন ডটকম বা অ্যাপল এর একটি বড় উদাহরণ। বাংলাদেশে এঞ্জেল ইনভেস্টরস দের একটি প্ল্যাটফর্ম www.bdangels.com আছে সেখান থেকে ফান্ডের জন্য আবেদন করা যায়।
বিদেশী এঞ্জেল ইনভেস্টর খোঁজার ওয়েবসাইট:
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লোন/ Small Business Loan
দেশে বিভিন্ন এনজিও আছে যারা উদ্দ্যোক্তাদের ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে থাকেনা। এইসব এনজিওর কাজ হচ্ছে ক্ষুদ্র উদ্দ্যোক্তদের খুঁজে বের করা এবং তাদের অর্থ ঋণ দেয়া। এই সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে হচ্ছে।
  • গ্রামীন ব্যাংক
  • ব্র্যাক ব্যাংক
  • আশা
Business ইনকিউবেটর
সব কিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। সময়ের আগে সেটা হয়ে গেলে তাকে অপরিপক্ক বলা হয়। ইনকিউবেটরে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো হয়ে থাকে। আবার একটি ছোট শিশু সময়ের আগেই ভূমিষ্ট হয়ে গেলে তাকে আমরা অপরিণত বা অপরিপক্ক বলি। তখন তাকে ইনকিউবেটরে রেখে পরিপক্ক করতে হয়।
বিজনেস এর বেলায় ও তেমনি। নবীন উদ্যোক্তাদের অপরিণত চিন্তা ভাবনা, ব্যবসায় পরিকল্পনা কে পরিপক্কতা দান করার জন্য বিভিন্ন বিজনেস ইনকিউবেটররা সাহায্য করে থাকেন। তারা ব্যবসায় আর্থিক সাহায্য করার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করে থাকেন। এছাড়া বিভিন্ন সমস্যার সমাধান তারা দিয়ে থাকেন।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান থেকে Business Loan
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে Business Loan নেয়ার জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। বাংলাদেশে বহু ব্যাংক Business Loan দিয়ে থাকে। বিভিন্ন ব্যাংক বিভিন্ন খাতে লোন দিয়ে থাকে। নিজের ব্যাবসার জন্য প্রয়োজনীয় লোনটি গ্রহণ করা উচিত। নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন তহবিল গঠন করেছে। এছাড়া, যেসব ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে সেগুলো হলো।
কৃষি ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, ইর্স্টান ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক।
Bank থেকে Business Loan নেয়ার জন্য, ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে। ব্যাংক এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকতে হবে।
কৃষি ব্যাংকের বিজনেস লোন: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শস্য ঋণ, মৎস্য ঋণ, লাইভ স্টক ঋণ ও কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি ঋণ প্রদান করে থাকে। বিস্তারিত জানতে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে অথবা contact@krishibank.org.bd তে যোগাযোগ করতে হবে।
ঠিকানা: কৃষি ব্যাংক ভবন, ৮৩ – ৮৫ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা – ১০০০ , বাংলাদেশ।
মোবাইল: (+৮৮ ০২) ৯৫৬ ১২১১
সোনালি ব্যাংকে Business Loan: সোনালি ব্যাংকে উদ্যোক্তরা ৫০০০০ টাকা থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পেয়ে থাকেন। ঋণ পাওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ হতে হবে। বিস্তারিত জানতে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
অগ্রনী ব্যাংক থেকে Business Loan: অগ্রনী ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লোন পাওয়া যায়। বিস্তারিত জানতে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে Business Loan: ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে উদ্যোক্তাদের জন্য টার্ম লোন এর ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে সর্বোচ্চ ৭৫০ মিলিয়ন পর্যন্ত লোন পাওয়া যাবে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ও রয়েছে লোন সুবিধা। নারী উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৫ মিলিয়ন পর্যন্ত লোন পাবেন। বিস্তারিত জানতে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে অথবা (8802) 47110465, 47115155, 47114795 এ যোগাযোগ করতে হবে।
বিভিন্ন ব্যাংকের Business Loan দেওয়ার পদ্ধতি ও নিয়মকানুন আলাদা থাকে। তাই, সব কিছু ঠিকমত জানতে হলে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
আরও পড়ুন – 
বন্ধুরা, আজকের পোস্টে এটাই। আজ আমরা শিখেছি কিভাবে আমরা  Business Loan লোণের জন্য আবেদন করতে পারি। Bank থেকে আমরা কত লোণ পেতে পারি, Bank থেকে লোন নেওয়ার জন্য কি কি ডকুমেন্টস লাগবে, Bank থেকে লোন নেওয়ার শর্ত কি এবং আরো অনেক কিছু আমরা আজকের এই পোস্টে করেছি। বন্ধুরা, যদি আপনি এই পোস্টটি পছন্দ করেন, তাহলে এটি শেয়ার করুন।

 

Leave a Reply