৯ম-নবম শ্রেণির ৮ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর

Table of Contents

৯ম-নবম শ্রেণির ৮ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর

৮ম-অষ্টম-সপ্তাহের ৬ষ্ঠ-৭ম-৮ম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির ৮ম-অষ্টম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করে থাকি। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত এ্যাসাইনমেন্ট ৮ম অষ্টম সপ্তাহের জন্য এ্যাসাইনমেন্ট। ৯ম-নবম শ্রেণীর উচ্চতর গণিত ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১. 8th week assignment 2021 PDF download.

Covid-19 মহামারীর কারণে এবছরের এপ্রিল মাসের শেষের চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে মে মাসের ২৪ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার ধারা বজায় রাখার জন্য পূণরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। ৯ম-নবম শ্রেণীর বাংলা ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

প্রিয় ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে আমরা তোমাদের এই পোস্টে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির ৮ম অষ্টম সপ্তাহের সকল এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ শেয়ার করবো। আসা করি তোমাদের উপকারে আসবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ২০২১ প্রকাশ করেছে। এই পোস্টে ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট পিডিএফ ডাউনলোড লিংক দেওয়া হবে।

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ২০২১

৯ম শ্রেণির ৮ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর

৯ম নবম শ্রেণীর বাংলা ৮ম সপ্তাহের  এসাইনমেন্ট সমাধান  উত্তর, ৯ম নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা ২০২১, নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা উত্তর, ৯ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১, ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর হিন্দু ধর্ম,  ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর ইসলাম শিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর ইসলাম ধর্ম ২০২১

উপরের প্রশ্ন পড়লে তোমরা বুঝতে পারবে তোমাদের কী করতে হবে। তোমাদের মূলত একটি তুলনামূলক আলোচনা করতে হবে। উত্তরটি লিখতে তোমাদের বঙ্গবানী ও কপোতাক্ষ নদ দুটি কবিতা পড়তে হবে এবং ভালোকরে বুজে নিতে হবে। তারপর উভয় কবিতায় মাতুভূমির প্রতি ভালোবাসার কথা আলোচনা করতে হবে। লেখায় নিজস্বতা ও সৃজনশীলতা থাকতে হবে। তাই তোমরা আমাদের দেওয়া এসাইনমেন্টটি হুবুহু কপি না করে কিছুটা পরিবর্তন করতে হবে।
এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ বঙ্গবাণী ও কপােতাক্ষ নদ উভয় কবিতাতেই মাতৃভাষা প্রীতির মাধ্যমে দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে – মন্তব্যটির স্বপক্ষে তােমার যৌক্তিক মত উপস্থাপন কর।
নির্দেশনাঃ শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই থেকে বঙ্গবাণী ও কপােতাক্ষ নদ’ কবিতা দুটি ভালােভাবে। পড়ে এ্যাসাইনমেন্টটি সম্পন্ন করবে।
“বঙ্গবাণী ও কপােতাক্ষ নদ উভয় কবিতাতেই মাতৃভাষা প্রীতির মাধ্যমে দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে” -মন্তব্যটির স্বপক্ষে তােমার মত উপস্থাপন কর।

সূচনা: মধ্যযুগের বাংলা কাব্যসাহিত্যের অন্যতম কবি আব্দুল হাকিম রচিত নূরনামা কাবগ্রন্থের অন্তর্গত বঙ্গবানী এবং বাংলা সনেট এর প্রবক্তা মাইকেল মদুসৃদন রচিত চতুর্দশপদী কবিতাবলীর অন্তর্গত কপোতাক্ষ নদ উভয় কবিতাতেই মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্তিম ভালোবাসার স্বরুপ দেখতে পাই। উপরে উল্লেখিত মন্তব্যটির সাথে আমি একমত পোষণ করছি এবং কেন করছি তার স্বপক্ষে আমার স্বব্যখ্যাত মতামত নিন্মের আলোচনার মাধ্যমে উপস্থাপন করছি।
দেশপ্রেম কী: দেশপ্রেম হল নৈতিক পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক নীতি, যার যার নিজের জন্মভূমির প্রতি ভালবাসার উপর ভিত্তি করে একটি বোধ, পাশাপাশি পিতৃভূমির স্বার্থের জন্য ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। দেশপ্রেম শব্দটি এসেছে গ্রীক ভাষা থেকে।
বঙ্গবাণী কবিতায় দেশপ্রেমের স্বরুপ: বঙ্গবাণী কবিতায় কবি আব্দুল হাকিম তীর মাতৃভাষা বাংলার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন তার লেখনীর মাধ্যমে। কবি বঙ্গবাণী কবিতা লেখার সময় অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, বাংলা ভাষায় গ্রন্থ রচিত না হলে সাধারণ মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। 
মানুষের নিজ ধর্ম পালনের মাধ্যমে আল্লাহর কৃপা পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে। আর আল্লাহ তার সৃষ্ট সব পশু পাখি ও মানুষের ভাষাই বুঝতে পারেন। তাই কৰি নিজ ভাষায় কাব্য রচনায় এবং ধর্মীয় উপাসনার পক্ষে তার মতামত প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন মারফত সম্পর্কে যারা অঙ্গ তারাই হিন্দুয়ানী ভাষাজ্ঞানে বাংলা ভাষার প্রতি অনীহা প্রকাশ করে। তিনি বাংলার মার্টিতে জন্মে যারা বাংলা ভাষার প্রতি বিরুপ মনোভাব পোষণ করেন তাদের জন্মপরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন এই কবিতার মাধ্যমে। 
অর্থাৎ কবির এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্টতই বুঝা যায় যে তিনি তার দেশ ও ভাষাকে কতটা ভালবাসতেন। বঙ্গবাণী কবিতায় কৰি স্বভাষার বিরোধিতাকারীদের এদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
বিদেশি ভাষার প্রতি অনুরাগীদের কৰি প্রছন্দ করেন না্‌ আত্মবিশ্বাসী কবি বিশ্বাস করেন, বাংলা ভাষায় যত উপদেশ বাণী রচিত হবে তা আমাদের মনকে পুনঃপুন জাগিয়ে তুলবে। কৰি বলেছেন।
“হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিভিধ রতন, তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি, পর-ধন লোভে মত, করিনু ভ্রমন পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কী কুক্ষণে আচরি।” 
এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্টতই কবির দেশের প্রতি অপরিসীম প্রীতি ও ভালবাসা প্রকাশ পায়।
কপোতাক্ষ নদ কবিতায় দেশপ্রেমের স্বরুপ: “কপোতাক্ষ নদ” কবিতায় কৰি যশোরের সাগরদীড়ির পাশ দিয়ে কুলকুল ধ্বনিতে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষের প্রতি তীর গভীর প্রেমবোধের পরিচয় দিয়েছেন। রোমস্থন করেছেন, হয়েছেন কাতর। জন্মভূমির এ নদ যেন কবিকে মায়ের প্লেহডোরে বেঁধেছে, তাই কিছুতেই তাকে তিনি ভুলতে পারেন না। 
স্বদেশের জন্য হৃদয়ের কাতরতা কবি এই কবিতার মাধ্যমে বঙ্গবাসীর কাছে ব্যক্ত করেছেন। কবির এই মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা ও স্মৃতিকাতরতা “কপোতাক্ষ নদ” কবিতার প্রধান উপজীব্য বিষয়। কবি তার প্রিয় নদ তথা দেশকে স্মরণ করে বলেছেন,

”প্রজারুপে রাজরুপ সাগরের দিতে বারি-রুপ কর তুমি এ মিনতি, গাবে বঙ্গজ জনের কানে, সখে, সখা-রীতে নাম তার, এ প্রবাসে মজি প্রেম-ভাবে”

উপসংহার: আমার পাঠ্যবই এ রচিত “বঙ্গবাণী ” ও “কপোতাক্ষ নদ” এই দুইটি কবিতাই মূলত মাতৃভাষা প্রীতির মাধ্যমে দেশপ্রেমেরই বহিংপ্রকাশ মাত্র। উপরের আলোচনার মাধ্যমে একথা আরও সুস্পষ্ট হয়।

আপনি যদি এই post পছন্দ করেন বা কিছু শিখে থাকেন বলে মনে হয়, তবে দয়া করে এই পোস্টটি Social Networks যেমন Facebook, Twitter এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে শেয়ার করুন।


ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE

Leave a Reply