৮ম অষ্টম শ্রেণির ১৯ তম সপ্তাহের হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর | ৮ম শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান

৬ষ্ঠ/৭ম/৮ম/৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট ১৯ তম সপ্তাহের সমাধান /উত্তর

১৯ তম সপ্তাহের ৬ষ্ঠ,৭ম, ৮ম, ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ১৯ তম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম ও ১০ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করবো। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম ও ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৯তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট।

Covid-19 মহামারীর কারণে এবছরের জুলাই মাসের শেষের চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে  অগাস্ট মাসের ১১ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার ধারা বজায় রাখার জন্য পূণরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

 

আরো পড়ুন-

৮ম শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের হিন্দু ধর্ম এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর, অষ্টম শ্রেণির ১৯ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট

৮ম শ্রেণির ১৯তম সপ্তাহের হিন্দু ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান – Class 8 19th week Hinduism assignment answer 2021

Make Money Online

১৯ তম সপ্তাহের হিন্দুধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

তারিখঃ —

বরাবর

প্রধান শিক্ষক

বিদ্যালয়ের নামঃ —

ঠিকানাঃ —

বিষয়ঃ আমার পরিবারের সদস্যরা ফাল্গুন মাসে যে বিশেষ ব্রত পালন ছাড়াও অন্যান্য ব্রত পালন নিয়ে আলোচনা।

জনাব,

আমার পরিবারের সদস্যরা ফাল্গুন মাসে যে ব্রত পালন করেন তা হলো শিব চতুর্দশী। এই ব্রত ফ্লাল্গুন মাসে করা হয়। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে এই ব্রত পালন করা হয়। শিব কল্যানময়। তিনি অশুভ শক্তির ধ্বংস করেন এবং শুভ শক্তির রক্ষা করেন।তিনি দুষ্টের দমন। আর সৃষ্টির রক্ষা করে থাকেন। এছাড়াও আরোও বিভিন্ন ব্রত পালন করেন। যথাঃ – শ্রী চন্ডী, বিপদনাসিনী, সন্তোষী, লক্ষী, শীতলা। এছাড়াও আরোও অনেক ব্রতের প্রচলন রয়েছে।

ব্রত পালনের উদ্দেশ্য হলো ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা।ব্রত পালনের মধ্যমে আমরা ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে আর্শিবাদ অর্জন করি। আমরা আমাদের প্রর্থণা ও চাওয়া-পাওয়া ঈশ্বরের নিকট সমর্পণ করি। আমাদের মনের সকল অশুভ চিন্তা ও শক্তিকে ত্যাগ করি। ব্রত পালনের মূল উদ্দেশ্যই হলো ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা।

নিচে ৩ টি ব্রতের সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

১. শিব চতুর্দশীঃ প্রতিটি ব্রত পালনের নিময় ভিন্ন হয়ে থাকে। শীব চতুর্দশী পালন করতপ হলে। আগের দিন সংযম করতে হয়। তারপর চতুর্দশীর দিন উপবাস থেকে পূজা করতে হয়। প্রথম প্রহরে দুধ দিয়ে স্নান করাতে হয়। দ্বিতীয় প্রহরে দধী দিয়ে স্নান করাতে হয়। তৃতীয় প্রহরে ঘৃত দিয়ে এবং চতুর্থ প্রহরে মধু দিয়ে স্নান করাতে হয়। তারপর ধ্যান ও জপ করতে হয়। সারা রাত কীর্তন করতে হয়। দিয়ে আবার উপবাস সম্পন্ন করতে হয়।

২. – শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী ব্রতঃ

বাংলার হিন্দুসমাজের আচরণীয় ব্রতগুলির অন্তর্গত একটি ব্রত।  বাংলার বাঙালি হিন্দুঘরের (প্রধানত বৈষ্ণব মতাবলম্বী) পুরুষ ও মহিলারা জাগতিক মঙ্গলকামনায় এবং অশুভ – অকল্যাণ দূর করতে এই ব্রত পালন করেন। এটি ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষে জন্মাষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের পূজার অঙ্গ হিসাবে পালন করা হয়। জন্মাষ্টমী ব্রত পালনের প্রথম পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উপকরণ অর্থাৎ ফুল, আতপ চাল, ফলের নৈবেদ্য, তুলসীপাতা, দূর্বা, ধূপ, দীপ, পঞ্চগব্য, পঞ্চগুড়ি, পাট, বালি, পঞ্চবর্ণের গুড়ো, মধু পর্কের বাটি, আসন-অঙ্গুরী সংগ্রহ করতে হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্রতের সারাদিন উপবাসী থেকে উপকরণগুলি দিয়ে শ্রীকৃষ্ণের পূজা করতে হয়। ব্রতভঙ্গের পর নিরামিষ আহার গ্রহণ করতে হয়।

৩. লক্ষ্মী দেবীর ব্রতঃ

লক্ষ্মী ধন ও সম্পদের দেবী। তার পূজা করলে ধন – সম্পদ লাভ করা যায়। তিনি আমাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে।তাই প্রতি বৃহস্পতিবার আমাদের লক্ষ্মী দেবীর ব্রত করা উচিত। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার লক্ষ্মী দেবীর ব্রত করা যায়। প্রতিটি ভালো ব্রতের কোন না কোন সুফল থাকে। ব্রত পালনের মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করি এবং বিভিন্ন প্রর্থনা করি। আমাদের এবং সকলের মঙ্গল কামনা করি।সকল অশুভ ও অকল্যান থেকে আমাদের মুক্ত রাখার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রর্থনা করি। জীব ও জগতের কল্যানের জন্য প্রর্থণা করি।

আমি সুযোগ পেলে যে ব্রত করবো সেটি হলো শ্রী হনুমান ব্রত বা জয়ন্তী। শাস্ত্র অনুসারে অঞ্জানির পুত্র হনুমান চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সুতরাং প্রতি বছর এই তিথিতেই হনুমান জয়ন্তী উদযাপিত হয়। এই বছর, এই তারিখটি ২৭ এপ্রিল মঙ্গলবার পড়ছে। হনুমান জয়ন্তীর দিন বিধি অনুসারে ভগবান হনুমানের উপাসনা করলে তিনি তাঁর আশীর্বাদ লাভ করেন। বিশ্বাস করা হয় যে সঙ্কটমোচন হনুমানের অনুগ্রহে ভক্তদের সমস্ত সমস্যা দূর হয় এবং ভক্তদের সকল প্রকারের ইচ্ছা পূরণ হয়। হনুমান জয়ন্তীর দিন ভক্তকে যে কোনও হনুমান মন্দিরে গিয়ে বজরঙ্গবলীর দর্শন করতে হবে এবং তাঁর সামনে প্রদীপ জ্বালাতে হবে। ১১ বার হনুমান চালিশা পাঠ করা উচিত। ভগবান হনুমান এতে সন্তুষ্ট হন এবং আপনাকে জীবনের সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দেন। ভগবান হনুমানের উচিত হনুমান জয়ন্তীতে গোলাপের মালা অর্পণ করা। তবে তাঁর কৃপাদৃষ্টি সর্বদা সঙ্গে থাকে।

১১ টি অশ্বত্থ পাতায় শ্রী রামের নাম লিখুন এবং ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করুন। এটি বিশ্বাস করা হয় যে এটি করার মাধ্যমে আপনার অর্থ সম্পর্কিত সমস্যাগুলি দূর হবে এবং আপনার ইচ্ছা পূরণ হবে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে একটি বিশেষ পান পাতা হনুমানকে অর্পণ করলে পরিবারের সমস্যাগুলি কাটিয়ে ওঠে যায়। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে হনুমান মন্দিরে গিয়ে মূর্তির সামনে একটি সরিষার তেল এবং একটি খাঁটি ঘি – এর প্রদীপ জ্বালান। এর পরে, বজরঙ্গবলীর আরতি করবো।

নামঃ —
শ্রেণিঃ —
রোলঃ—
Make Money Online

 

আরও পড়ুন –
 

বিশেষ সতর্কতা: উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া। ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে। উল্লেখ্য যে, হুবহু লেখার কারণে আপনার উত্তর পত্রটি বাতিল হতে পারে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার Dorbinnews24 -এর নয়।

আমাদের কাজের মধ্যে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি দেখা গেলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানান। প্রতি সপ্তাহের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। আমাদের কাছ থেকে ন্যূনতম সাহায্য পেয়ে থাকলে আপনাদের অন্যান্য বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটিকে ফেসবুকে শেয়ার দিতে পারেন।

 
ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE
 
আরো পড়ুন

Leave a Reply