সপ্তম ৭ম শ্রেণির ৯ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর

সপ্তম ৭ম শ্রেণির ৯ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর ২০২১

নবম-৯ম-সপ্তাহের ৬ষ্ঠ-৭ম-৮ম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম ও ১০ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির নবম-৯ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করে থাকি। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম ও ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত এ্যাসাইনমেন্ট নবম-৯ম সপ্তাহের জন্য এ্যাসাইনমেন্ট। 9th week assignment 2021 PDF. সপ্তম ৭ম শ্রেণির বাংলা ৯ম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান


Covid-19 মহামারীর কারণে এবছরের এপ্রিল মাসের শেষের চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে মে মাসের ২৪ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার ধারা বজায় রাখার জন্য পূণরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।



সপ্তম ৭ম শ্রেণির বাংলা নবম-৯ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান

 

সপ্তম ৭ম শ্রেণির নবম-৯ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট, ৭ম শ্রেণির নবম-৯ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট এর সমাধান, ৭ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলা সমাধান, ৭ম শ্রেণির ৯ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণীর গণিত এসাইনমেন্ট সমাধান, অষ্টম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা সমাধান, ৮ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২১, অষ্টম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা সমাধান 2021

সপ্তম-৭ম শ্রেণির ৯ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্টটি তোমাদের জন্য খুবই সহজ হবে। তবে তোমরা প্রশ্নগুলো পড়ে উত্তর লিখবে। এবং আমাদের নমুনা উত্তরের মত হুবুহু উত্তর না দিয়ে সামান্য কিছু পরিবর্তন করে লিখতে পারো। তোমাদের লেখাগুলো স্যারেরা পড়ে যেন বুঝতে পারে সেরকম সুন্দর করে লিখবে।

নোটিশ: ৭ম বাংলা এসাইনমেন্ট দুইভাবে দেওয়া হলো, যার যেটা ভালো লাগে লিখতে পারো।


“আমার বাড়ি” কবিতায় বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য কী কী আয়ােজন ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে? কবিতায় বর্ণিত আপ্যায়নের সাথে বর্তমান সময়ের অতিথি আপ্যায়নের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলােকে লিখ। 

উত্তর:

পল্লীকবি জসিম উদ্দিন তার “আমার বাড়ি” প্রকৃতির, অতিথি ও আপ্যায়ন এই তিনটিকে এক সুতায় বেঁধেছেন। তার কবিতায় মানবপ্রেম ও সৌজন্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এবং প্রকৃতিও যে গৃহের অথিতিকে আপ্যায়নের জন্য উন্মুখ তা এই কবিতায় ফুটে উঠেছে।  আমার বাড়ি কবিতায় কবি তার বন্ধুকে হেমন্তের শালি ধানের চিড়া, বিন্নি ধানের খই, সবরী কলা, গামছা বাঁধা দই দিয়ে আপ্যায়নের কথা বলেছেন। 
কবিতায় বর্ণিত আপ্যায়নের সাথে বর্তমান সময়ের আপ্যায়নের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া নিতান্তই কঠিন। বাঙালি অতিথি পরায়ণ এই সুনামটা ধরে রাখলেও অতিথি আপ্যায়নের ধরণটি ধরে রাখতে পারে নি। তবে এ কথা বলার কোন অবকাশ নেই যে কবি বন্ধুর আপ্যায়নের চিত্রটি বর্তমানে একেবারেই বিলীন হয়ে গেছে। আমি নিজ পারিবারিক অভিজ্ঞতা থেকে নির্দ্বিধায় বলতে পারি কবিতায় বর্ণিত অতিথি আপ্যায়নের চিত্র শহুরে জীবনে না দেখা গেলেও গ্রামীণ জীবনে ঠিকই দেখা যায়। কোন এক শীতকালে পরিবারের সাথে নানার বাড়ি গিয়ে পল্লীকবির আপ্যায়নের চিত্রটি কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পেরেছি। 
খেজুরের রসের পায়েস, নানা ধরনের পিঠা-পুলি, সফেদা, বরই, জলপাই, আমলকি, ডালিম, নিজ বাড়িতে বানানো দই সবকিছুই মনভরে উপভোগ করার মতো।  কিন্তু শহুরে জীবনে এমন চিত্র দেখা নিতান্তই কঠিন। শহরের কৃত্রিমতায় অতিথি আপ্যায়নের মধ্যে তেমন আন্তরিকতা পাওয়া যায় না। এখানে বাহিরের তৈরী খবর দিয়ে আপ্যায়ণ করা হয় অতিথিকে। প্রকৃতির উষ্ণ অভ্যার্থনা শহরের অতিথিরা পায় না।

নোটিশ: ৭ম বাংলা এসাইনমেন্ট দুইভাবে দেওয়া হলো, যার যেটা ভালো লাগে লিখতে পারো।
“আমার বাড়ি কবিতায় বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য কী কী আয়ােজন ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে ? কবিতায় বর্ণিত আপ্যায়নের সাথে বর্তমান সময়ের অতিথি আপ্যায়নের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলােকে লিখ।”
সমাধান:
কবি জসিম উদ্দিনের “আমার বাড়ি” কবিতায় বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য যে যে আয়ােজন ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলাে:
কবি জসিম উদ্দিন তার ” হাসু ” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ” আমার বাড়ি ‘ কবিতায় কোন এক বন্ধু বা প্রিয়জনকে নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ করেছেন । তিনি তার বন্ধুকে তারা ফুলের মালা গেঁথে পড়াতে চেয়েছেন তথা তারা ফুলের মালা দিয়ে তাকে বরণ করে নিতে চেয়েছেন । তিনি তাকে আপ্যায়ন করতে চান জল তথা পানি বা শরবত খাইয়ে এবং শালি ধানের চিড়া, কবরী কলা এবং গামছা বাঁধা দই দিয়ে।
প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেমন করে অতিথির প্রাণ জুড়াবে এর এক নিবিড় পরিচয় আছে এই কবিতাটি তে। কবি তার বন্ধুকে ছায়াময় গাছের নিচে শান্ত ও নিরিবিলি জায়গায় ঘুমাতে দিবেন। কবি তার বন্ধুর সাথে সারা দিন কাটাবে তথা তার বন্ধুর সাথে বেশিরভাগ সময় কাটাবে খেলাধুলা করেও গল্পগুজব করে। কবির সাথে সাথে যেন অতিথিকে আপ্যায়ন করতে গাছ, ফুল এবং পাখিরাও উন্মুখ হয়ে আছে। অতিথির বিশ্রাম ও আনন্দের জন্য গৃহস্থের আন্তরিক প্রয়াস কবিতায় বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সময়ে অতিথি আপ্যায়নের ক্ষেত্রে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নিম্নে উপস্থাপন করা হলাে:
সাদৃশ্য: 
১. বর্তমান সময়ে ও আমরা অতিথিকে বিভিন্ন ধরনের ফুলের মালা বা ফুলের তােড়া দিয়ে বরণ করে নেই। 
২. বর্তমান সময়ে আমরা অতিথিকে আপ্যায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবারের আয়ােজন করে থাকি। যেমনঃ সেমাই, নুডলস, পাস্তা, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, পােলাও, মাংস, দই কোরমা ইত্যাদি। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মাছ মাংস, শাকসবজি ও ফলমূল এর ব্যবস্থা করে থাকি।
বৈসাদৃশ্য:
১. বর্তমান সময়ে আমরা অতিথি বন্ধুর সাথে বেশি খেলাধুলা করে, টিভি দেখি, ভার্চুয়াল গেম খেলি।
২. বর্তমান সময়ে আমরা কবরী কলা, গামছা বাঁধা দই, চিড়া-মুড়ি, খই এগুলাের পরিবর্তে বন্ধুকে আপ্যায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের আধুনিক মুখরােচক খাবারের আয়ােজন করে থাকি।
অবশেষে, আমরা বলতে পারি যে, বাঙ্গালীদের যে একটা ঐতিহ্য আছে অতিথি বন্ধুকে আপ্যায়নের সেটা এখনাে পর্যন্ত বিদ্যমান আছে আমাদের বাঙালি সমাজে। যদিও পূর্বের তুলনায় এখন ভিন্নভাবে আপ্যায়ন করা হয় অতিথি বন্ধুর আপ্যায়ন এর ক্ষেত্রে কোন ত্রুটি রাখা হয় না।

আপনি যদি এই post পছন্দ করেন বা কিছু শিখে থাকেন বলে মনে হয়, তবে দয়া করে এই পোস্টটি Social Networks যেমন Facebook, Twitter এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে শেয়ার করুন।

ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE   

Leave a Reply