৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর-সমাধান

৬ষ্ট-ষষ্ঠ শ্রেণির দশম সপ্তাহের শারিরীক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এসাইনমেন্ট সমাধান-উত্তর ২০২১

 

দশম-১০ম-সপ্তাহের ৬ষ্ঠ-৭ম-৮ম-৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম ও ১০ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির দশম-১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করে থাকি। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম ও ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত এ্যাসাইনমেন্ট দশম-১০ম সপ্তাহের জন্য এ্যাসাইনমেন্ট। ৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর 10th week assignment 2021


Covid-19 মহামারীর কারণে এবছরের জুন মাসের শেষের চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে জুলাই মাসের ১৮ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার ধারা বজায় রাখার জন্য পূণরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। ৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর-সমাধান

ষষ্ঠ-৬ষ্ট শ্রেণির শারিরীক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এসাইনমেন্ট সমাধান-উত্তর ২০২১ ১০ম সপ্তাহ

৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর-সমাধান, ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, ৭ম শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, ৯ম শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট


৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ অ্যাসাইনমেন্ট শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ১০ম সপ্তাহ উত্তরে লেখার আগে তোমরা অবশ্যই প্রশ্নগুলো পড়ে নিবে। তোমাদের এসাইনমেন্টের প্রশ্নগুলো ভালো করে পড়তে হবে। এবং প্রশ্নে কি বলছে সেটা ভেবে উত্তর লেখা শুরু করতে হবে। উত্তর লেখার আগে খাতায় ভালো ভাবে মার্জিন টেনে সুন্দর করে লিখতে হবে।

নোটিশ: ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর দুই ভাবে দেওয়া হলো যার যেটা ভালো লাগে পড়ে লিখে নিবেন।
১ম উত্তর:

আমার দৈনন্দিন জীবনে অনুশীলনকৃত ব্যায়াম এবং তার উপকারিতা।

ভূমিকা: সুস্থ দেহেই সুস্থ মনের বাস। আর সুস্থ-সুন্দর মনই পারে একটা উন্নত জাতির জন্ম দিতে। সুস্থ ও উন্নত জাতি দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির স্বর্ণশিখরে আরােহণ করাতে পারে। দেশকে সমৃদ্ধিশালী করার এ ধারাবাহিকতাকে ক্রমানুসারে সাজালে আমার পাই, সুস্থ দেহ-সুস্থ মন, উন্নত জাতি, উন্নত দেশ। 
অর্থাৎ গােড়ার কথা হলাে শারীরিক সুস্থতা। এর জন্যে চাই নিয়মিত ব্যায়াম। কেননা, ব্যায়মই দৈহিক শক্তি লাভের তথা সবল স্বাস্থ্য লাভের পথ উন্মুক্ত করে দেয়।
ব্যায়াম: দেহ ও মনের সুস্থতা ও আনন্দলাভের জন্য শারীরিক অঙ্গ সঞ্চালনকে ব্যায়াম বলে। ব্যায়াম যেকোন শারীরিক কার্যক্রম যা শারীরিক সুস্থতা রক্ষা বা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এর অপর একটি অর্থ হল শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত আন্দোলন। খেলাধুলাও ব্যায়াম এর অন্তর্ভুক্ত। 
খেলাধুলার মাধ্যমে অঙ্গ সঞ্চালন হয় এবং আনন্দ লাভ করা যায়। বিভিন্ন চিত্ত বিনােদন মূলক খেলার মাধ্যমে অঙ্গসঞ্চালন বা ব্যায়াম করা যায়। শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা রক্ষার্থে ব্যায়ামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রমাণিত।
ব্যায়ামের সাথে জীবনের সম্পর্ক: ব্যায়ামের সাথে জীবনের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় জীবনে সফল হতে হলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যায়াম মানুষের মৃত্যুঝুঁকি কমায়। পরিমিত ব্যায়াম মানুষের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। 
মানুষের ব্যক্তিত্ব তৈরিতে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যায়াম এর গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে শৃঙ্খলাবােধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী গড়ে ওঠে। যা প্রত্যাহিক জীবনে সুশৃংখল জীবনযাপনের সাহায্য করে। সামাজিক গুণাবলী অর্জনে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আমাদের জীবনে ব্যায়ামের অবদান অপরিসীম।
ব্যায়ামের প্রকারভেদ: ব্যায়াম দুই ধরনের। যথা-
  • ১) সাধারণ ব্যায়াম: শরীর গরম করার জন্য যে কোন ধরনের ব্যায়ামকে সাধারণ ব্যায়াম বলে। 
  • ২) নিদিষ্ট ব্যায়াম: কোন নিদিষ্ট উদ্দেশ্য বা সকল অঙ্গের উন্নতির জন্য যে ব্যায়াম হয় তাকে নির্দিষ্ট ব্যায়াম বলে।

আমার অনুশীলনকৃত একটি ব্যায়াম এর তালিকা নিয়ে তৈরি করা হলাে: 

৬ষ্ঠ-ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর-সমাধান, ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, ৭ম শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট, ৯ম শ্রেণির ১০ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট

ব্যায়ামের উপকারিতা: ব্যায়ামের মাধ্যমে যেসব উপকার পাওয়া যায় তা সংক্ষেপে নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
 (১) অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উন্নতি: 
ব্যায়াম দেহ কাঠামাের সুষম উন্নতি ও বৃদ্ধি সাধন করে। দেহের উন্নতির সাথে সাথে মনকে স সতেজ করে। ফলে শরীরের শক্তি ও সহনশীলতা বাড়ে। ব্যায়ামের ফলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং হজমশক্তি ও রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
(২) পাঠের একঘেয়েমি দূর করে: 
শ্রেণিকক্ষে একটানা লেখাপড়া করলে ক্লান্তি ও একঘেয়েমি আসে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে পাঠের একঘেয়েমি ও মানসিক ক্লান্তি দূর হয়, মনে সজীবতা আসে ও পড়াশােনায় মন বসে।
(৩) স্নায়ু ও মাংসপেশির সমন্বিত উন্নয়ন:
শৈশবে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দ্রুত বেড়ে ওঠে। শরীর বৃদ্ধি পেলেও অনেক সময় তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে মানসিক বিকাশ হয় না। এর সমন্বয় ঘটানাের জন্য সঠিক নিয়মে অঙ্গসঞ্চালন প্রয়ােজন। হাত, পা ও ব্যায়াম একসাথে করতে হবে। শুধু হাতের ব্যায়াম করলে হাতের শক্তি বাড়বে আবার পায়ের ব্যায়াম করলে পায়ের মাংসপেশি বৃদ্ধি পাবে। সেজন্য শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যায়ামের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে অনুশীলন করতে হয়।
(৪) সুশৃঙ্খল জীবনযাপন: 
নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মধ্যে শৃংখলাবােধ ও নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে উঠবে। ফলে শিক্ষার্থী প্রাত্যহিক জীবনে সুশৃংখল জীবনযাপনে অভ্যস্থ হবে।
(৫) সামাজিক গুণাবলি অর্জন: 
দলগত খেলাধুলা বা ব্যায়াম করলে শিক্ষক বা দলনেতার আদেশ মেনে শৃঙ্খলার সাথে খেলতে হয়। খেলায় হেরে গেলেও মেজাজ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে রেখে কাজ করতে হয়। আদেশ মেনে চলা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মেজাজ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা, সহযােগিতা করা-এই সামাজিক গুণগুলাে ব্যায়ামের মাধ্যমে অর্জন করা যায়। নিয়মিত ব্যায়াম খুবই প্রযােজন শারীরিক ফিটনেস ও ভালাে স্বাস্থ্যের জন্য।  এটা বড় বড় রােগ যেমন হৃদরােগ, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিকস ও অন্যান্য রােগ হওয়ার ঝুঁকি কমায়। তাই সুস্থ থাকতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই।
সিদ্ধান্ত: সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে দৈহিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য শরীরচর্চার সূত্রপাত হয়। কেননা যেকোনাে সৃষ্টির পেছনে যে অক্লান্ত পরিশ্রম দরকার তার জন্য শারীরিক দক্ষতা সর্বাগ্রে বিবেচ্য। তাই সভ্যতার গােড়াপত্তনের সাথে সাথেই শরীরচর্চার প্রয়ােজনীয়তা উপলব্ধি উপলব্ধি হয়। 
আমাদের দেশ দারিদ্র্যনির্ভর দেশ। দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করতে হলে প্রয়োজন উৎপাদনমুখী ব্যাপক পরিকল্পনা। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে প্রয়োজন দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তি। আর শরীরচর্চার মাধ্যমেই গড়ে উঠবে সেই জনশক্তি তাই জীবনকে সুন্দর ও সার্থক করে তুলতে হলে নিয়মিত এবং পরিমিত শরীরচর্চার প্রতি মনােযােগী হতে হবে।
নোটিশ: ষষ্ঠ শ্রেণির ১০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উত্তর দুই ভাবে দেওয়া হলো যার যেটা ভালো লাগে পড়ে লিখে নিবেন।
২য় উত্তর:

আমার দৈনন্দিন জীবনে অনুশীলনকৃত ব্যায়ম এবং তার উপকারিতা।

“সুস্থ দেহ, সুন্দর মন” অর্থাৎ দেহের সুস্থতার সাথে মনের সম্পর্ক রয়েছে। তাই দেহকে সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শুধু দেহ সুগঠিত হয় না সেই সাথে চিত্ত বিনোদন, শৃঙ্খলাবোধ মনোভাব গড়ে ওঠে।

ব্যায়াম কিঃ আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নিয়মিত নড়াচড়া করাকেই ব্যায়াম বা শরীরচর্চা বলে। নিয়িমিত ব্যায়াম করলে দেহের কাঠামো সুগঠিত হয়। ব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক অবস্থারও উন্নয়ন ঘটে। ভিন্ন কারণে ব্যায়াম করা হয়, যেমন- মাংসপেশী ও সংবহন তন্ত্র সবল করা, ক্রীড়া-নৈপুন্য বৃদ্ধি করা, শারীরিক ওজন হ্রাস করা বা রক্ষা করা কিংবা শুধু উপভোগ করা। নিয়মিত ব্যায়াম মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পুনরুদ্ধার হতে সাহায্য করে।

ব্যায়ামের সাথে জীবনের সম্পর্কঃ ব্যায়াম আমাদের শরীর ও জীবনের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। আমাদেরকে দৈনন্দিন অনেক কাজকর্ম করতে হয়। আর কাজের জন্য শারীরিক শক্তির প্রয়োজন। আর ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরে অলসতা দূর হয় এবং শক্তি উৎপন্ন হয়। শারীরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে আমাদের মনে মানসিক প্রশান্তি অনুভূত হয়। কাজের একঘেয়েমি দূর হল। ফলে আমরা আগের চাইতে বেশি কাজ করতে পারি। 
অন্যদিকে ব্যায়াম আমাদেরকে শৃঙ্খল ও নিয়মানুবর্তিতা অর্জনে সাহায্য করে। কারণ ব্যায়ামের একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে এবং কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। সঠিক নিয়ম না মেনে ব্যায়াম করলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। মানসিক প্রশান্তি আমাদের শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পেলে। যা শরীরকে ভালো রাখার পূর্ব শর্ত। ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা যে শক্তি পাই তা আমাদের দৈনন্দিন অন্য কাজগুলো সঠিকভাবে করতে সহায়তা করে। কারণ ব্যায়ামের মাধ্যমে আলস্য দূর হয়।

আমার অনুশীলনকৃত ব্যায়ামের তালিকা ও প্রকারঃ আমার শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখার জন্য আমি নিয়মিত ব্যায়াম অনুশীলন করি। ব্যায়াম আমার দৈনন্দিন রুটিনের মধ্যে একটি। তবে আমি যেসকল ব্যায়াম করে থাকি তার সবগুলোই সাধারণ ব্যায়াম। আমি Free hand exercise পছন্দ করি কারণ এইসকল ব্যায়াম সরঞ্জাম ছাড়া বাড়িতেই করা যায়। নিচে আমি যেসব ব্যায়াম অনুশীলন করি তার একটি তালিকা দেওয়া হল।

ব্যায়ামের নাম
প্রকার
ওয়ার্ম আপ
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
জগিং 
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
পুশ আপ
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
সিট আপ 
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
স্পট জাম্প
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
হাফ সিটেড এলবো
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
ফ্লেক্সিবিলিটির ব্যায়াম
সাধারণ ও সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম
 
ব্যায়ামের উপকারিতাঃ শারীরিক সুস্থতা বজায় ও শরীরের ওজনের ভারসাম্য রাখার ক্ষেত্রে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এছাড়া শরীরের হাড়ের দৃঢ়তা বজায় রাখা, মাংসপেশীর সবলতা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গসমূহের স্বাভাবিক চলনক্ষমতা বজায় রাখতে ব্যায়াম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। নিচে ব্যায়ামের কয়েকটি উপকারিতা উল্লেখ্য করা হলঃ

  • শারীরিক উন্নতিঃ নিয়মিত ব্যায়াম আমাদের শরীরের অঙ্গের গঠন সুগঠিত করে এবং শরীরে শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে। মনকে সতেজ রাখে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সাথে শরীরের রক্ত চলাচল ঠিক থাকে।
  • একঘেয়েমি দূর করেঃ খেলাধুলাও একপ্রকারের ব্যায়াম। একটানা লেখাপড়া করলে ক্লান্তি ও একঘেয়েমি চলে আসে। তাই লেখাপড়া পাশাপাশি খেলাধুলা করলে  একঘেয়েমি ও মানসিক ক্লান্তি দূর হয়।
  • স্নায়ু ও মাংসপেশির উন্নয়নঃ শৈশবকাল থেকেই শরীর দ্রুত বেড়ে উঠে। তাই এই সময় শরীর বৃদ্ধির সাথে সাথে মানসিক বিকাশের দিকটাও লক্ষ্য রাখা জরুরি। তাই স্নায়ু ও মাংসপেশির সমন্বিত উন্নয়নের জন্য সঠিক নিয়মে হাত, পা ও শরীরের ব্যায়াম একসাথে করতে হবে।
  • শৃঙ্খলতা অর্জনঃ নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে শুধু শরীরের উন্নতি সাধিত হয় না বরং সেই সাথে সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে উঠে।
  • সামাজিক গুনাবলি অর্জনঃ আদেশ মেনে চলা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, নিয়ম মেনে চলা, আবেগকে নিয়ন্ত্রন করা, সহযোগিতা করা এইসকল সামাজিক গুনাবলি ব্যায়ামের মাধ্যমে অর্জন করা যায়।

সিদ্ধান্তঃ শরীর সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য। তবে মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম শরীরকে ক্লান্ত ও দুর্বল করে দেয়। তাই পরিমিত ব্যায়াম করা উচিত। তাছাড়া ভরাপেটে ব্যায়াম করা ঠিক নয়। তাই খাওয়ার কমপক্ষে দুই ঘন্টা পর ব্যায়াম করা উচিত। স্বাস্থই সকল সুখের মূল । তাই নিয়মিত ব্যায়াম আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে রাখাটা আবশ্যক। 
  

আপনি যদি এই post পছন্দ করেন বা কিছু শিখে থাকেন বলে মনে হয়, তবে দয়া করে এই পোস্টটি Social Networks যেমন Facebook, Twitter এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে শেয়ার করুন।
ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE

Leave a Reply