ফেসবুক মার্কেটিং এর কিছু এডভান্স টিপস

 


ফেসবুক মার্কেটিং এর কিছু আডভান্সড টিপস

প্রথমে স্ট্রেটেজি ঠিক করুন

প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনাকে আপনার প্ল্যান, পেজ খুলেই কিছু প্রোডাক্টের ছবি অথবা ভিডিও দিয়ে সেটাতে পেইড প্রমোশন করে আপনার সম্পর্কে জানে না, কিছু না যাদেরকে কোল্ড কাস্টোমার বলা হয় তাদের কাছে অ্যাড দিয়ে আপনার কতটুকু লাভ হবে সেটা আগে চিন্তা করেন।

তাই প্রথমে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে মানুষকে জানান, যেটাকে বলা হচ্ছে ” Brand Awareness” যেখানে মজার, শিক্ষামুলক ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন, ভিডিও দিয়ে শুরু করলে যেটা করতে পারবেন আপনার ভিডিওর ভিউয়ারদের দিয়ে একটা কাস্টোম অডিয়েন্স করতে পারেন এরপর সেটা সেল পোস্টে এপ্লাই করতে পারেন, তবে মনে রাখবেন একটা ভিডিও দিলেন, সেখান থেকে কাস্টোম অডিয়েন্স বানালেন, সেল পোস্ট দিলেন, সেলের উপর সেল আসতে থাকলো ব্যাপার টা এমন না কিন্তু, এটা চলমান প্রসেস, আপনাকে এটা নিয়মিতভাবে করে যেতে হবে।

লুক এ লাইক অডিয়েন্স করুন

কাস্টম অডিয়েন্স মূলত কম হয়ে থাকে তাই কাস্টম অডিয়েন্স থেকে আপনি লুক এ লাইক অডিয়েন্স বানাতে পারেন যারা অনেকটা আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের মত, তাই তারা যদি আপনার অ্যাড দেখে তাহলে সেটাও কার্যকরি হতে পারে যদিও তারা আপনার ভিডিও দেখে নাই তারপরও আপনার অডিয়ন্সের ইন্টারেস্টের সাথে মিল থাকার জন্য আপনি কিছুটা সুবিধা তো পাবেন আশা করাই যায়। তবে লুক এ লাইক অডিয়েন্সে ১% অথবা ২% এর বেশি না যাওয়াই ভালো না হলে সিমিলারিটি কমে যাবে।

ফেসবুকের অকশন অথবা নিলাম “Lowest cost” থেকে না দিয়ে নিজের মত কন্ট্রল করুন

আপনার ক্যাম্পেইন এর ভালো পারফর্মেন্স এর জন্য auction bidding Lowest cost থেকে Lowest cost with a cap এ নিয়ে আসেন। বাই ডিফল্ট Lowest cost দেয়া থাকে এখানে আপনি ফেসবুক কে বলছেন যে আপনার অ্যাডকে যতটা কম খরচে রাখা যায় সেরকম ভাবে রাখতে, কিন্তু অন্যরা যদি কম খরচ না দিয়ে বেশি খরচ দিয়ে দেয় আপনি কম্পিটিশনে পিছনে চলে যাবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মার্কেটে আমার একটা বই আছে “ফেসবুক মার্কেটিং” নামে, মূলত উদ্যোগতারা উপকৃত হতে পারে এটা পড়ে, আগ্রহী হলে আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।

অবশ্যই পড়বেন:

ফেসবুক থেকে কীভাবে উপার্জন করবেন

ম্যানুয়ালি বিড ক্যাপ দিয়ে দুইটা ব্যাপার করতে পারেন আপনি, সেটা হচ্ছে আপনি সেখানে যে আমাউন্ট দিবেন সেটার বেশি খরচ হবে না, এটা আপনি আপনার প্রোডাক্টে কত লাভ হবে, ফেসবুক অ্যাডে কত খরচ হবে, দিন শেষে লাভ কত আসবে, আপনার প্রোডাক্ট কতগুলা সেল হতে পারে সেগুলি চিন্তা করে সেট করতে পারেন।

দুই নাম্বার হচ্ছে আপনি যদি সঠিক ভাবে বিড সেট করে নিলামে জয়লাভ করেন তাহলে আপনার অ্যাড টাইমলাইনে বেশি দেখাবে ফেসবুক, যার ফলাফল হবে রিচ বেশি এবং রিচ বেশি হলে কনভার্সন রেটও ভালো থাকবে এটা আশা করাই যায়। এখানে আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে আপনার টার্গেট সিপিসি অথবা সিপিএম ইত্যাদি যেটা আছে তার থেকে কয়েক গুণ বেশি এমাউন্ট সেখানে দিতে পারেন, ধরেন আপনার টার্গেট হচ্ছে প্রতি ম্যাসেজে ৩০ সেন্ট, আপনি বিড 

ক্যাপে সেট করেন ৪-৫ ডলার, তার মানে কিন্তু এটা না যে আপনার প্রতি ম্যাসেজে ৪-৫ ডলার খরচ হয়ে যাবে, এটা ফেসবুক কে বুঝানো যে আপনি প্রতি ম্যাসেজে ২-৩ ডলার খরচ করার মত যোগ্যতা রাখেন। ফেসবুক যখন নিলামে যাবে আপনার বিড এমাউন্ট যদি অন্যদের থেকে বেশি থাকে তাহলে সে আপনার অ্যাডকেই গুরুত্ব বেশি দিবে।

দুইটা অ্যাড সেট করে কম্পেয়ার করে রাখতে পারেন

আপনার অ্যাডকে দুই সেটে টার্গেট করেন, এবং কম্পেয়ার করেন কোন সেট ভালো কাজ করছে, দুইটা অ্যাড সেটে দুই রকম টার্গেটিং করবেন, খেয়াল রাখবেন ওভার ল্যাপিং যেন না হয়ে যায়, দুই রকম টার্গেট লোকেশনে করতে পারেন, একটা তে ঢাকা 

দিলে আরেকটাতে চিটাগং, অন্যরকমও হতে পারে, বয়সও তাই করেন দুইটাতে দুইরকম, ডিটেল টার্গেটিং এ ও তাই, এখানে দুইটা অ্যাড সেটে একই রকম ইন্টারেস্ট সেট করা উচিৎ হবে না, একই রকম দিলে দুইটা অ্যাড সেট করার মানে তো হলো না, কারন আপনি বিভিন্ন ভাবে কম্পেয়ার করছেন।

অবশ্যই পড়বেন:

ফেসবুক থেকে কীভাবে উপার্জন করবেন

 

লিখেছেন আরিফুল ইসলাম

Leave a Reply