পৌর নির্বাচনে জামানত হারালেন আ.লীগের মেয়র প্রার্থী

পৌর নির্বাচনে জামানত হারালেন আ.লীগের মেয়র প্রার্থী

দুরবিন নিউজ২৪,dorbinnews24,Bangla News, bangla News paper,Bangla All News paper List,bangla khobor,Bollywood,hindi movie,new movie 2021,tamil movie দুরবিন নিউজ২৪,dorbinnews24,how to earn money online without investment,how to make money online in nigeria,how to earn money online with google,how to earn money online without paying anything,how to earn money online for students,how to earn money online in india,how to earn money online in bangladesh,how to earn money online philippines,how to make money online for free
পৌরসভা নির্বাচন। প্রতীকী ছবি

বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দুটি জামিন হারিয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বগুড়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ওবায়দুল হাসান। তিনি বিএনপির মেয়র প্রার্থীর কাছে ৬২,০০০ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন।

আবু ওবায়দুল হাসান পেয়েছেন ২০,০৮৯ ভোট। অন্যদিকে, বেসরকারীভাবে বিজয়ী প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ৮২,০০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) আবদুল মান্নান ৫৬,০০০ ভোট পেয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ Tesla, Facebook এর মতো US Company নির Share Market টে কীভাবে বিনিয়োগ করবেন 

সোমবার সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ দুই প্রার্থীর জামিন হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের বিধি মোতাবেক জামিন পেতে ভোটগ্রহণের ষষ্ঠ ভাগের এক ভাগ পেতে হয়। গত রবিবার অনুষ্ঠিত বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে ১লাখ ৬৫ হাজার ১১২ ভোট পড়েছিল। 

আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু ওবায়দুল হাসান পেয়েছেন ২০.০৮৯ ভোট, যা ভোট পড়েছে তার ১২ শতাংশ। তার জামিন ফিরে পেতে তার ২০,৬৩৯ ভোটের প্রয়োজন ছিল। তবে তিনি ৫৫০ এরও কম ভোট পেয়েছিলেন। 

রিটার্নিং অফিসার আরও জানিয়েছেন, ইসলামিক মুভমেন্ট অফ বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী আবদুল মতিন হ্যান্ড ফ্যান প্রতীকের জন্য ৬,১৯১ ভোট পেয়েছেন। তিনি জামিনও হারান।

আরও পড়ুনঃ কীভাবে WhatsApp থেকে অর্থ উপার্জন করবেন – সম্পূর্ণ তথ্য বাংলায়।

রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, বগুড়ায় নৌকার পরাজয়ের জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী নয়, স্থানীয় নেতৃত্ব ও দলের সাংগঠনিক ব্যর্থতা ছিল। বগুড়ায় আওয়ামী লীগের অনেক কর্মী আছেন, অনেক ভোটও রয়েছে। মানুষ পরিবর্তন চায়। 

তবে কোনও ত্যাগী সংগঠক নেই। সেখানকার কোনও নেতাই শেখ হাসিনার আদর্শের রাজনীতি অনুসরণ করেন না, তারা দলীয় বিভাজন এবং স্বার্থান্বেষী হয়ে আরও বেশি ডুবে আছেন। দলের স্বার্থ নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। দলীয় নেতারা যদি ঐক্যবদ্ধ ও আন্তরিক হন তবে নির্বাচনে জয়ের বিষয়টি বিবেচ্য হত না।

Leave a Reply