৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

৮ম শ্রেণির ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর, ৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট

৬ষ্ঠ/৭ম/৮ম/৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট ২০ তম সপ্তাহের সমাধান /উত্তর

২০ তম সপ্তাহের ৬ষ্ঠ,৭ম, ৮ম, ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১

৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় উত্তর ২০২১. আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ছাত্র ও ছাত্রী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আসা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মতো, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য  ২০ তম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম ও ১০ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশের পরে, আমরা অবিলম্বে ষষ্ঠ,৭ম, অষ্টম, নবম শ্রেণির উত্তর ২০২১ দিচ্ছি। আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির ৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করবো। ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম ও ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট।

Covid-19 মহামারীর কারণে এবছরের জুলাই মাসের শেষের চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে  অগাস্ট মাসের ১১ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার ধারা বজায় রাখার জন্য পূণরায় ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম ও ৯ম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

আরো পড়ুন-

৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় উত্তর

৮ম শ্রেণির ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান উত্তর, ৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট, ৮ম শ্রেণির ২০তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট

অবশই পড়বেন

এসাইনমেন্ট শিরোনাম: কোভিড পরিস্থিতির কারণে চাকুরীচ্যুত/ কর্মসংস্থান হারানাে জনসম্পদের উপার্জন অব্যাহত রাখার উপায় নির্ধারণ সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন লিখ।

৮ম শ্রেণির ২০ তম সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় উত্তর:

তারিখ: ১৫/১০/২০২১
বরাবর,
প্রধান শিক্ষক __ হাই স্কুল
__, ঢাকা।
বিষয়: করােনায় চাকরী হারানাে জনসম্পদের উপার্জন অব্যাহত রাখার উপায় এর উপর প্রতিবেদন।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আপনার আদেশ অনুসারে তারিখ: ১৩/১০/২০২১ অনুসারে উপরােক্ত বিষয়ের উপর আমার নিজের প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনটি নিন্মে পেশ করলাম।

প্রারম্ভিকা
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ পল যে মায়ার বলেছন, “The greatest natural resource of our country is its people”. জনসম্পদ প্রতিটি জাতির জন্য আর্শীর্বাদ। জনসংখ্যা যতক্ষণ পর্যন্ত জনসম্পাদ বা মানব সম্পাদ পরিণত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তা জাতির রােঝা। জল সম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার প্রধান ভূমিকা পালন করে শিক্ষা ছাড়া কোন দেশ জাতি উন্নতি করতে পার না। জাতীয় উন্নয়নের জন্য জনসম্পদের উন্নয়নের বিকল্প নেই। তাই কারানাকালীন সময় জনসম্পাদর উপার্জন অব্যাহত রাখার উপায় নির্ধারণ সম্বলিত একটি প্রবন্ধ নিচ তুলে ধরা হলাে।

জনসম্পদ এর ব্যাখ্যা: দক্ষ জনসংখ্যাকেই জন্সম্পদ বলে। জনমম্পদ হাচ্ছে কোন দোশের শ্রমশক্তি। একটি দোশের অর্থীনতিক উন্নয়নের অন্যতম উপাদান হচ্ছে জনসম্পদ। মানুষ তার মেধা শ্রম বা কায়িক শ্রম দিয় যদি রাষ্ট্র বা পৃথিবীতে অবদান রাখে তাহলে মেই মানুষকে মানব সম্পদ বলা হয় আর এই মানুষটি জনসম্পদের অংশ।

করােনাকালীন সময়ে কর্মসংস্থান হারানাের একটি চিত্র: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, করােনাভাইরাসের কারণে আগামী তিন মামের মাধ্যে বিশ্বে সাড়ে ১৯ কোটি মানুষ তাদের পূর্ণকারলীন চাকরি হরাতে যাচ্ছে। যার মধ্য সাড়ে ১২ কোটি মানুষ বসবা করেন এশিয়া ও পশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলােতে। ধারণা করা হচ্ছে, করােনার প্রভাবে বাংলাদেশেও বিপুল সংখ্যক কর্মজীবী মানুষ কর্মচ্যুত হবেন। কায়কটি নির্বাচিত খাতে কর্মমংক্ষান হারানাের একটি আনুমানিক পরিসংখ্যান –

অন্তত ৪৭ শতাংশ পােশাকশ্রমিক ( যে সংখ্যা দাঁড়াবে ২৩ লাখ) তৈরি পােশাক শিল্পের শ্রমিক চাঁকরি হারাতে পারে।

  • ১৫ লাখ রিকশা শমিক।
  • ৩৬ লাখ পােশাক শ্রমিক।
  • ৫২ লাখ পরিবহন শ্রমিক।
  • ২৬ লাখ নির্মাণ শ্রমিক।
  • ২৪ লাখ হকার।

(সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক,গবেষণা প্রতিবেদন,মার্চ ৩১,২০২১)

আহসান এইচ মনসুর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গার্মেন্টস, ব্যাংক, ইন্স্যারন্স ও সরকার এই চারটি থাত ছাড়া বাকি সবই ইনফরমাল (অনানুষ্ঠানিক)। করোনায় ফরমাল (আনুষ্ঠানিক) কর্মজীবী ছাড়া আর সবাই এখন বেকার। বেকারের এই সংখ্যা দেড় থেকে দুই কো্টি। তিনি বলেন, গত ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশে যে অগোষিত লকডাউন শুরু হয়ছে, এর ফলে যারা হােটল-রেস্তোরাঁ, নির্মাণ খাতের মতাে অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন, সেসব খাতে শ্রমিকরা দীর্ঘাদিন বেকার বসে রয়েছেন।

বিকল্প কর্মসংস্থান: করোনার ফলে অনেক আনেক মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে যার ফলে নিজ নিজ উদ্যোগে অনেকে ঘর বসে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে যেমন-

  • অনলাইনে শাকসবজি ও কাঁচামাল কিক্রি করা, নিত্যপায়াজনীয় জিনিস বিক্রয় করা, ইত্যাদি।
  • নিজ বাড়িতে গরু ও মহিষ পালন করা এবং বিক্রয় করা।
  • বসত বাড়িতে হাঁস মুরগী পালন ও বিক্রয় এবং ডিম বিক্রয় করা।
  • অনলাইন ভিত্তিক নিজ নিজ বাসাবাড়িতে রেস্টুরেন্ট খোলা।

করোনার কারণে গেণ্জি,প্যান্ট,তেজসপত্র সহ আনেক জিনিস উৎপাদনের জন্য ছােট ছােট আনেক কল কারখানা গড়ে উঠেছে। তাই বলা চলে যে, করোনাকালীন সময় এই পেশাগুলা বিকল্প সংস্থান হতে পারে।

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে উদ্যোগ: সরকারি উদ্যোগ, অর্থমন্ত্রী বাজেটে বলেছেন, সরকার তৈরি পােশাকসহ রফতানিমুখি শিল্পর শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য পাঁচ হাজার কো্টি টাকার ঋণ তহবিল গঠন করেছে। শিল্প সেকটরের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার ও কুটিরশিল্পমহ এমএমই প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ হাজার কোর্টি টাকার ঋণ সুবিধা চালু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক রফতানি উন্নয়ন তহবিলের পরিমাণ সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার উন্নতি করেছে। গ্রামের দরিদ্র কৃষক, বিদেশাফেরত শ্রমিক, তরুণ ও বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে দুই হজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করার ঘােষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে পশিক্ষানের মাধ্যমে দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন জেলায় নতুন কারিগরি পশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের মােষণা দেওয়া হয়েছে।

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে উদ্যোগ: বেসরকারি উদ্যোগ, জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তার করার জন্য বেসরকারি য়ে সকল উদ্যাগ বিভিন্ন এলাকায় গহণ করা হচ্ছে তার মাধ্যে অন্যতম হলো –

অনলাইনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা পদান কার্যক্রম চালু রাখা। কেননা জনসংখ্যাকে জনমম্পদে রূপান্তরের সবাচেয়ে বড় মাধ্যম হলাে শিক্ষা। যার কারণে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলাে কারানাকালীন এই সময়ে শিক্ষা খুব ভালো অবধান রেখেছে।

অনেক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে মানুষদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনগাষ্ঠীতে পরিণত কারছে যা রেকার জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করতে সাহায্য করেছে। যেমনঃ Creative it institute করোনা কালীন সময়ে ফ্রিতে অনলাইনে টাকা উপার্জানের মাধ্যম শেখাচ্ছে যা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে। এভাবে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উপায়ে অনেক উদ্যোগ গহণ করা হয়েছে।

বিশেষ প্রশিক্ষণ যা যেকোনাে পরিস্থিতিতে উপার্জন অব্যাহত রাখে: এই বিশেষ পশিক্ষানের মধ্যে কয়েকটা দিক রায়া যেমন –

অনলাইন ভিত্তিক-বর্তমান বিশ্ব অনলাইন ভিত্তিক হায়ে যাওয়ায় যদি কেউ ওয়েব ডেভলপিং, গাফিক্স ডিজাইনিং, ফটোগ্রাফিক, ভিডিওগ্রাফি, ভিডিও এডিটিং সহ এসকল কাজ জানে তাহলে যেকোন সময় যেকোন পরিস্থিতিতে তার উপার্জন অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবে।

অর্থনীতি- ঘর বসে যেসব উৎপাদনমূলক অর্থনৈতিক কাজ করা হয় এবং একে কেন্দ্র কর যে অর্থনীতি পরিচালিত হয়, তা-ই গা্হচ্ছ্য অর্থনীতি। যেমন-হাঁস-মুরগি, গবাদি পশু লালন, সবজি চাষ, কুটির শিল্প ইত্যাদি।

কৃষিকাজের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি আর এগুলার প্ৰশিক্ষণ যদি কারাে থাকে তাহলে সে যে কোন অবস্থায় উপার্জন অব্যাহত রাখতে পারে।

উপসংহার: কোভিড়-১৯ মহামারীর কারণে পুরা বাংলাদেশের বিশাল একটি অংশ চাকরি হারিয়ে বেকার হয় পড়েছে। তাই সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত এদেরকে সময় উপযোগী প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি পরামর্শ দিয়ে পুনরায় অর্থ উপার্জনে সাহায্য করে জনসম্পাদে রূপান্তর করা।

আরও পড়ুন –

 

বিশেষ সতর্কতা: উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া। ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে। উল্লেখ্য যে, হুবহু লেখার কারণে আপনার উত্তর পত্রটি বাতিল হতে পারে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার Dorbinnews24 -এর নয়।

আমাদের কাজের মধ্যে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি দেখা গেলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানান। প্রতি সপ্তাহের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। আমাদের কাছ থেকে ন্যূনতম সাহায্য পেয়ে থাকলে আপনাদের অন্যান্য বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটিকে ফেসবুকে শেয়ার দিতে পারেন।

ঘরে বসে অনলাইনে কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন ফ্রীতে –How to make money online from home CLICK HERE IT’S FREE

আরো পড়ুন

Leave a Reply