তৈলাক্ত নাকি শুকনো? ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার

তৈলাক্ত নাকি শুকনো? ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার, ত্বক উজ্জ্বল হয় যেসব খাবারে, কোন ভিটামিন ত্বক ফর্সা করে,ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়, সুন্দর ত্বকের জন্য করণীয়, কি খেলে গায়ের রং ফর্সা হয়, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির খাবার, কোন ফল খেলে ত্বক ফর্সা হয়, চেহারায় গ্লো আনার উপায়, মধু দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

তৈলাক্ত নাকি শুকনো? ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার। প্রত্যেকের ত্বকের ধরন আলাদা। সাধারণত, এটি শুকনো, তৈলাক্ত এবং সংমিশ্রণে বিভক্ত। সাধারণত, আপনার যদি তৈলাক্ত ত্বক থাকে, আপনার যদি কেরাটিন বা চুলকানি থাকে, শুষ্ক, আপনার যদি চকচকে এবং শুষ্ক ত্বক থাকে, তবে আপনার সংমিশ্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

অবশ্যই পড়বেন –

তৈলাক্ত নাকি শুকনো? ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার, ত্বক উজ্জ্বল হয় যেসব খাবারে, কোন ভিটামিন ত্বক ফর্সা করে,ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়, সুন্দর ত্বকের জন্য করণীয়, কি খেলে গায়ের রং ফর্সা হয়, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির খাবার, কোন ফল খেলে ত্বক ফর্সা হয়, চেহারায় গ্লো আনার উপায়, মধু দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

এবং এই বিভাগের মধ্যে আপনার অন্যান্য ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রণ, ত্বকের মৃত কোষ এবং নিস্তেজতা থাকতে পারে। কারণ বৈশিষ্ট্য ভিন্ন, বাহ্যিক কারণের কারণে সৃষ্ট সমস্যার মাত্রাও ভিন্ন। বিশেষ করে আপনি যে খাবার খান তা আপনার ত্বকে অনেক প্রভাব ফেলে। এমন কিছু খাবার আছে যা আপনার ত্বকের ধরনকে মানানসই, এবং এমন কিছু খাবার আছে যা মানানসই নয়।

হেলথলাইন, একটি আমেরিকান স্বাস্থ্য তথ্য সাইট, দুই বিশেষজ্ঞের মতামত দিয়েছেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডায়েটিশিয়ান এবং নিউ ইয়র্ক নিউট্রিশন গ্রুপের সিইও লিসা মস্কোভিটজ এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ মিশেল গ্রিন, ত্বকের ধরন সম্পর্কে। যে খাবারগুলি মানানসই এবং যেগুলি নয় এমন খাবারগুলির বর্ণনা৷

অবশ্যই পড়বেন –

ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার

শুষ্ক ত্বকের জন্য অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েল, স্যামন ইত্যাদি ময়েশ্চারাইজ করার জন্য ভালো।

আপনার যদি শুষ্ক ত্বক থাকে তবে আপনাকে ময়েশ্চারাইজিংয়ে মনোযোগ দিতে হবে। দিনে 2 লিটার জল পান করা সাহায্য করতে পারে এবং আপনি তরমুজের মতো ফল থেকেও হাইড্রেশন পেতে পারেন। ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকে আর্দ্রতাও দিতে পারে। ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েল এবং স্যামন।

আপনার ডিহাইড্রেটিং খাবার এবং পানীয় যেমন ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল গ্রহণের পরিমাণ সীমিত করা উচিত। যদিও এটি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে পরিবর্তিত হয়, তবে ক্যাফেইনকে প্রতিদিন 400 মিলিগ্রাম (প্রায় দুই থেকে তিন কাপ 240 মিলি কফি) এবং অ্যালকোহল কেন্দ্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের নির্দেশিকা অনুসারে সীমাবদ্ধ করুন, মস্কোভিটজ পরামর্শ দিয়েছেন।

তবে, কেবল আর্দ্রতার অভাব মানেই শুষ্ক ত্বক নয়। মিশেল গ্রিন আপনাকে পালং শাক, ব্রকলি এবং মিষ্টি আলু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, উল্লেখ করেছেন যে ভিটামিন এ এবং সি এর অভাবও শুষ্ক ত্বকের কারণ হতে পারে।

অবশ্যই পড়বেন –

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপযোগী খাবার

মাছ এবং ফ্ল্যাক্সসিডের মতো প্রদাহবিরোধী প্রভাব সহ তেল তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভাল এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার নয়। তৈলাক্ত ত্বকের লোকেরা ভাবতে পারে যে তৈলাক্ত খাবার না খাওয়া ভাল, তবে এটি অগত্যা নয়। Moskowitz এর মতে, অ্যাভোকাডো, জলপাই, মাছ এবং ফ্ল্যাক্সসিডের মতো প্রদাহবিরোধী প্রভাব সহ তেলগুলি আসলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

বিপরীতভাবে, ভাজা খাবারের মতো চর্বিযুক্ত এবং উচ্চ প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ সীমিত করার এবং অতিরিক্ত শর্করার পরিমাণ কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। লাল মাংসের পরিবর্তে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং পোল্ট্রি বা মাছের পরিবর্তে গোটা শস্য বাছাই করা অতিরিক্ত সিবাম উৎপাদন এবং আটকে যাওয়া ছিদ্র রোধ করতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও, আপনি যদি মিষ্টি খাবার খেতে চান, তাহলে প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি জাতীয় খাবার বেছে নেওয়া সহায়ক হতে পারে, যেমন ফল।

তৈলাক্ত ও শুকনো ত্বকের জন্য খাবার

সংমিশ্রণ ত্বকের জন্য, শুষ্ক এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভাল খাবারের সংমিশ্রণ খান এবং কার্বোহাইড্রেটের সাথে সতর্ক থাকুন। কম্বিনেশন স্কিন হল দুটি ত্বকের গুণাবলীর মিশ্রণ, শুষ্ক ত্বক এবং তৈলাক্ত ত্বক, তাই আপনি দুটি ধরণের ডায়েট প্ল্যান অন্তর্ভুক্ত করে শুরু করতে পারেন, মস্কোভিটজ বলেছেন।

আপনাকে পুরোপুরি কার্বোহাইড্রেট কাটতে হবে না, তবে আপনি যে ধরণের খাবার খান সেদিকে মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। “কার্বোহাইড্রেটগুলি প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং সংমিশ্রণ ত্বকের সূক্ষ্ম ভারসাম্যকে বিপর্যস্ত করতে পারে,” গ্রিন বলেছিলেন।

অবশ্যই পড়বেন –

ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য

ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য, শেলফিশ, চর্বিহীন মাংস এবং প্রোবায়োটিক খান এটি সাধারণত মনে করা হয়, যে ব্রণ একটি সমস্যা যা বয়ঃসন্ধিকালে ঘটে, তবে এটি এমন নয়। এছাড়াও প্রাপ্তবয়স্ক-সূচনা ব্রণ আছে যা প্রথম প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় প্রদর্শিত হয়।

ব্রণযুক্ত লোকেরা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ডায়েট প্ল্যান অনুসরণ না করে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলিতে ফোকাস করতে চাইতে পারে। এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে বিভিন্ন ধরণের বেরি এবং ফল থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি পাওয়া এবং শেলফিশ এবং চর্বিহীন প্রোটিনের মধ্যে থাকা জিঙ্ক ব্রণ থেকে মুক্তির সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও আপনি উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার যেমন ফোর্টিফাইড সিরিয়াল এবং কুমড়ার বীজ থেকে জিঙ্ক পেতে পারেন।

কিছু লোক দুগ্ধজাত দ্রব্য খায় না, বা এর থেকে উপকার পেতে মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দেয়। “এই খাবারগুলি ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং সিবাম উত্পাদন নিয়ন্ত্রণ করে এমন হরমোনের নিঃসরণে একটি স্পাইককে ট্রিগার করতে দেখানো হয়েছে,” গ্রিন বলেছিলেন। বর্ধিত সিবাম উত্পাদন সেবেসিয়াস গ্রন্থিগুলিকে আটকাতে পারে এবং ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে।

যাইহোক, মস্কোভিটস বলেছেন যে গ্রীক দইয়ের প্রোবায়োটিকগুলি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করতে পারে এবং প্রত্যেকের শরীর আলাদা, তাই তিনি দুগ্ধজাত খাবারের মতো পুষ্টিকরভাবে উপকারী খাবার খাওয়া বন্ধ করার আগে আপনার ডাক্তার বা ডায়েটিশিয়ানের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

অবশ্যই পড়বেন –

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়

নিস্তেজ ত্বকের জন্য টমেটো, গোলমরিচ, পেঁপে এবং ডার্ক চকলেট ভালো। নিস্তেজ ত্বক প্রায়শই পরিবেশ থেকে অক্সিডেটিভ চাপের কারণে হয়, যেমন দূষণকারী বা কীটনাশকের সংস্পর্শে, মস্কোভিটজ বলেন। তিনি আরও পরামর্শ দেন যে আমাদের শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করার একটি উপায় হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ করা।

জবাবে, ডাঃ পল জ্যারড ফ্রাঙ্ক, একজন প্রসাধনী চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট লাইকোপিনের দিকে মনোযোগ দিতে বলেছিলেন। টমেটো, পেয়ারা, পেঁপে এবং গোলমরিচের মতো লাল ফল এবং সবজিতে লাইকোপিন প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। পরিমিত পরিমাণে রেড ওয়াইন এবং চকলেট খাওয়াও ভালো। কারণ কোকো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। পরিবর্তে, নিয়মিত চকোলেটের পরিবর্তে ডার্ক চকোলেট (অন্তত 75%) খান।

বার্ধক্যজনিত ত্বকের জন্য, চর্বিহীন মাংস এবং সাইট্রাস ফলগুলির মতো ভাল এবং নোনতা খাবার এড়িয়ে চলুন। জানার প্রথম জিনিসটি মনে রাখতে হবে যে আপনি যে খাবারই খান না কেন, আপনার ত্বকের বয়স হবেই। এটা wrinkles আছে ঠিক আছে.

অবশ্যই পড়বেন –

কিন্তু কোলাজেন-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে কিছুটা ধীর করতে সাহায্য করতে পারে, মস্কোভিটজ বলেছেন। এর কারণ হল কোলাজেন 20 এর দশকের গোড়ার দিকে হারিয়ে যেতে শুরু করে।

আপনি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, মাছ এবং চর্বিহীন মাংসের সাথে কোলাজেন পরিপূরক করতে পারেন। এছাড়াও, ব্লুবেরি এবং সাইট্রাস ফলের মধ্যে পাওয়া ভিটামিন সি, শরীরকে কোলাজেন শোষণ করতে সাহায্য করে।

ভাজা খাবারের মতো লবণাক্ত খাবার সীমিত করা ভালো, যা পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে। “যখন বয়স্ক ত্বক ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়, তখন সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখাগুলি আরও বিশিষ্ট হতে পারে,” গ্রিন বলেছিলেন।

কিন্তু আপনার ত্বকের জন্য সবচেয়ে খারাপ আচরণগুলির মধ্যে একটি হল ভাল না খাওয়া। কারণ ত্বকে প্রোটিন ও চর্বি প্রয়োজন, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া ভালো।

অবশ্যই পড়বেন –

কি খেলে গায়ের রং ফর্সা হয়, কি খেলে চেহারা সুন্দর হয়

গায়ের রং ফর্সা করতে জানতে হবে গায়ের রং কালো কেনো হয়। আমাদের দেহে মেলানিন নামক পদার্থের কারনে গায়ের রং কালো হয়। যার দেহে মেলানিন যত বেশি সে তত কালো রং এর হয়। রদের কারনে স্ট্রেস এর কারনে সহ বিভিন্ন কারনে দেহে মেলানিন এর পরিমান বেড়ে যায় ফলে গায়ের রং কালো হয়ে যায়।

তৈলাক্ত নাকি শুকনো? ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার, ত্বক উজ্জ্বল হয় যেসব খাবারে, কোন ভিটামিন ত্বক ফর্সা করে,ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়, সুন্দর ত্বকের জন্য করণীয়, কি খেলে গায়ের রং ফর্সা হয়, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির খাবার, কোন ফল খেলে ত্বক ফর্সা হয়, চেহারায় গ্লো আনার উপায়, মধু দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

একটি কথা মনে রাখবেন সুন্দর হতে সাদা হওয়া লাগে না। একটু সাজানো গোছানো পরিস্কার পরিপাটি হওয়ার মাধ্যমেই সুন্দর হওয়া যায়। আর আপনাকে আল্লাহ্‌ যেভাবে সৃষ্টি করেছেন সেভাবেই খুশি থাকার চেষ্টা করুন। মাথায় রাখুন কবরে সাদা কালো হিসাব নাই, আমল ই সব। উচু বংশ সুন্দর চেহারার ফেরাউন নম্রুদ আবু জেহেল রা জাহান্নামি আর আফ্রিকার হাবসি গোলাম বেলাল (রা) জান্নাতি (ইনশাআল্লাহ্‌)। এখন বলেন কে সুন্দর?

তাই বলে কি সুন্দর হতে চেষ্টা করবেন না? অবশ্যই করবেন, আল্লাহ্‌ সুন্দর তিনি সুন্দর কে পছন্দ করে। কিন্তু আপনি নিজেকে সাদা কালো রং এর বিচারে সুন্দর ভাবা বন্ধ করবেন। নিজেকে সুস্থ, পরিপাটি, সাজানো , উজ্জল রাখতে নিজের যত্ন নিন। কিন্তু কালো থেকে সাইবেরিয়ান সাদা হওয়ার চেষ্টা কইরেন না আবার গায়ের রং একটু গাড় বলে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। এটাই আমার কথা।

অবশ্যই পড়বেন –

কি খেলে গায়ের রং ফর্সা হয়

ডিম –
ডিম খেলে হাড় ভালো থাকে। যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এসব কথা আমি আপনি সবাই জানি কিন্তু ডিমের আরো একটা গুন আছে যা অনেকেই জানেনা। আর তা হল ডিম আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত আপনার খাবারের তালিকায় ডিম রাখার চেষ্টা করুন।

সালাদ –
আমাদের ত্বকের সতেজতা ও স্বাস্থজ্জ্বল রাখতে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর প্রয়োজন। আর এই ফাইবারের চাহিদা মিটানো যাই সালাদ এর মাধ্যমে। সালাদে আপনি পাবেন প্রচুর পরিমানে ফাইবার সাথে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার চেহারাকে রাখবে সতেজ।

গ্রিন টি –
শরীরের জন্য অনেক সময় অনেককে গ্রিন টি খেতে বলতে শুনেছেন হইতো কিন্তু গ্রিন টি চেহারা সুন্দর করতেও হেল্প করতে পারে। সালাদ এর মত গ্রিন টি তেও আপনি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাবেন। গ্রিন টি আপনার চেহারার বলি রেখা বা কালো বা কালচে দাগ পড়া থেকে বিরত রাখে ফলে চেহারা সুন্দর দেখায়।

পেঁপে –
জি দেশি খাবার বলে ইগ্নর করবেন না। পেঁপে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে, চেহারা কে উজ্জল করবে। লিভারের যত্নে পেঁপে খাওয়ার কথা বলা হয়, কিন্তু পেঁপে তে প্রচুর ভিটামিন এ থাকায় এটি আপনার চেহারার জন্য উপকারি। পেঁপে ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং কালচে দাগ করতেও সাহায্য করে। তাই পেঁপে খান।

কিউই –
বিদেশি ফল, কিন্তু দেশেও পাওয়া যায়। এই ফলে আপনি পাবেন ভিটামিন সি যা আপনার ত্বকের কোষ কে হেল্প করে সাথে চেহারার কালচে কালচে দাগ দূর করে। যারা কিউই ফল পাবেন না বা ঝামেলায় জেতে চান না তারা পেঁপে খান ডিম খান।

টক জাতীয় ফল –
প্রায় সব টক ফল ই আপনার ত্বকের জন্য উপকারি। বিশেষ করে জেসব ফলে ভিটামিন সি আছে সেসব ফল। আবার সাইট্রিক এসিড আছে এমন ফল ও ত্বকের জন্য ভাল।

অবশ্যই পড়বেন –

তৈলাক্ত নাকি শুকনো? ত্বকের জন্য উপযোগী অন্যান্য খাবার, ত্বক উজ্জ্বল হয় যেসব খাবারে, কোন ভিটামিন ত্বক ফর্সা করে,ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়, সুন্দর ত্বকের জন্য করণীয়, কি খেলে গায়ের রং ফর্সা হয়, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির খাবার, কোন ফল খেলে ত্বক ফর্সা হয়, চেহারায় গ্লো আনার উপায়, মধু দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়

লেবুর রস আর চিনি –
লেবুর রস চিপে বের করে নিন। এক চামচ পরিমান লেবুর রসের সাথে এক চামচ চিনি মিশিয়ে পেস্ট এর মত করে নিন। মুখে ও হাত পায়ে মাসাজ করুন। দুই মিনিট অপেক্ষা করুন। দুই মিনিট পর ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ই যথেষ্ট।

পাল্প –
পাল্প কি? টমেটোর ভিতরের বিজ এর অংশই হলো পাল্প। পাল্প এর সাথে মধু এবং ভিটামিন E মিস্ক করুন। মুখ ও দেহে লাগান। শুকাতে সময় দিন, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে কতবার ইউজ করবেন? ২/৩ বার ইউজ করলেই হবে।

অবশ্যই পড়বেন –

অলিভ অয়েল –
আপনার দেহের ময়েশচারাইজার হিসেবে কাজ করতে পারে অলিভ অয়েল। সূর্যাস্তের পর বাইরে বেরোলে হাল্কা করে অলিভ অয়েল মেখে বেরোতে পারেন। রাতে শোয়ার আগে নাইট ক্রিম হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। মেকাপ ধোয়ার জন্য খুব ভালো কাজ করে এটা।

বেসন-দুধ –
দুধে প্রচুর পরিমাণে ল্যাক্টিক অ্যাসিড থাকায় ত্বকের পুষ্টির জন্য খুব ভাল। দুধ মাখলে ত্বক অনেকটা নরমও হয়। দুধের সঙ্গে একটু বেসন মিশিয়ে সারা মুখে ম্যাসাজ করলে দূষণের কারণে মুখে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কফি আর নারকেল তেল –
কফি আর নারকেল তেলের মিশ্রণ আপনার মুখ এবং দেহ স্ক্রাবের ক্ষেত্রে খুব কাজ দেবে। তবে ঘনঘন স্ক্রাব করবেন না। আর চোখের আশেপাশে স্ক্রাব করবেন না। সপ্তাহে দু’বার কফি আর নারকেল অথবা আ’মন্ড অয়েলের মিশ্রণ দিয়ে স্ক্রাব করলে দেহের ডেড সেল মরে যাবে।

দই –
ড্রাই স্কিন অর্থাৎ শুষ্ক ত্বকে দই খুব উপকারী। দইয়ের সঙ্গে মধু, বেসন আর হলুদ দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে ১০ থেকে ২০ মিনিট মুখে মেখে তারপর ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ত্বক একেবারে বাচ্চাদের মত সতেজ লাগবে।

অবশ্যই পড়বেন –

মধু দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

মধু –
সেনসিটিভ স্কিনে মধু খুব কার্যকর। অধিকাংশ প্রসাধনীতে মধু ব্যবহার করা হয়। দারচিনি আর মধুর মিশ্রণ মুখে মাখলে মুখের দাগ ছোপ দূর হয়। ত্বক হাইড্রেটেড রাখতে মধুর তুলনা হয় না।

আলু –
আলু খুব বেশি খেলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু আলুর রস যদি মুখে মেখে রাতে ঘুমিয়ে পড়েন, ঘুম থেকে উঠে পরের সকালে মুখটা ধুয়ে নিন। ত্বকের জল ধরে রাখতে সাহায্য করবে আলুর রস। সতেজ লাগবে সারা দিন।

অবশ্যই পড়বেন –

Leave a Reply